📌 ফ্রান্সের ভিসা আবেদনে মাথায় হেডস্কার্ফ পরা ছবি দেওয়ায় তুর্কি শিক্ষার্থীর আবেদন তিনবার প্রত্যাখ্যান করা হয়। শিক্ষার্থী দাবি করেন, বন্ধুরা একই অবস্থায় ছবি দিলেও ভিসা পেয়েছেন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংশ্লিষ্ট ডিপফেক ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজের কণ্ঠস্বর ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করেছেন
ফ্রান্সের ভিসা আবেদনে মাথায় হেডস্কার্ফ পরা অবস্থায় ছবি দেওয়ায় তুরস্কের এক শিক্ষার্থী তিনবার ভিসা প্রত্যাখ্যানের শিকার হন। শিক্ষার্থী দাবি করেন, একই অবস্থায় ছবি দিলেও তাঁর বন্ধুরা ভিসা পেয়েছেন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং ভিসা নিয়মকানুনে স্পষ্টতা আনার দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তুরস্কের শিক্ষার্থী ফ্রান্সের ভিসা আবেদন তিনবার প্রত্যাখ্যানের শিকার হন মাথায় হেডস্কার্ফ পরা ছবির কারণে
- 📌 শিক্ষার্থী জানান, একই অবস্থায় ছবি দিলেও তাঁর বন্ধুরা ভিসা পেয়েছেন, যা তাঁকে অসন্তুষ্ট করেছে
- 📌 ফ্রান্সের ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে জমা দেওয়া আবেদনপত্র ফেরত পাওয়ার পর শিক্ষার্থীকে মাথা অনাবৃত ছবি জমা দিতে বলা হয়
- 📌 শিক্ষার্থী দাবি করেন, এরাসমাস কর্মসূচির আওতায় তাঁর পড়াশোনা ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল
- 📌 ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংশ্লিষ্ট ডিপফেক ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজের কণ্ঠস্বর ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধনের উদ্যোগ নেন
📰 বিস্তারিত
গালাতাসারায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তুরস্কের এক শিক্ষার্থী। তিনি ফ্রান্সের সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এরাসমাস কর্মসূচির আওতায় পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন এবং একটি শিক্ষাবৃত্তির জন্যও যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু ফ্রান্সের ভিসা আবেদনে মাথায় হেডস্কার্ফ পরা অবস্থায় ছবি দেওয়ায় তাঁর তিনবার ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়। শিক্ষার্থী জানান, তিনি ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে তিনবার আবেদন করলেও কোনো ভিসা পাননি। প্রথম আবেদনটি নিরাপত্তাহীনতার কারণে প্রত্যাখ্যান করা হয় বলে জানান তিনি।
শিক্ষার্থী জানান, তাঁর বন্ধুরা একই অবস্থায় ছবি দিলেও ভিসা পেয়েছেন। ফলে তাঁর ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দ্বিতীয়বার এক বন্ধুর সঙ্গে আবেদন করলেও বন্ধুটি ভিসা পান, কিন্তু তাঁর আবেদন আবারও প্রত্যাখ্যাত হয়। তৃতীয়বার আবেদন করার পর তিনি লিখিত ব্যাখ্যা চান। ১৪ সেপ্টেম্বর জমা দেওয়া আবেদনপত্র ফেরত পাওয়ার পর শিক্ষার্থীকে মাথা অনাবৃত ছবি জমা দিতে বলা হয়।
সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হারানোর কারণে শিক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর জন্য হেডস্কার্ফ খুলে ছবি দেওয়া কোনো বিকল্প নয়। তিনি বিষয়টি ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য স্পষ্ট করার আহ্বান জানান এবং ভিসা আবেদনকেন্দ্রের কর্মীদেরও এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার দাবি করেন।
"আমার বন্ধুরা একই অবস্থায় ছবি দিলেও ভিসা পেয়েছেন। আমার ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্পষ্টতা আনতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স, তুরস্ক, ইতালি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুরস্কের শিক্ষার্থী, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর, ১৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!