📌 ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি এবং তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে আলোচনা করে বাশিকা সামরিক ঘাঁটি ধাপে ধাপে ইরাককে হস্তান্তরের চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এছাড়াও তারা সিনজার অঞ্চলে ইরাকের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মত হন।
ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে বাশিকা সামরিক ঘাঁটি ধাপে ধাপে হস্তান্তরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির সidelines-এ অনুষ্ঠিত আলোচনার মাধ্যমে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি এবং তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাশিকা সামরিক ঘাঁটি ধাপে ধাপে ইরাকের কর্তৃত্বে হস্তান্তর করা হবে, যা ২০১৫ সাল থেকে তুরস্কের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- 📌 সিনজার অঞ্চলে ইরাকের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বিদেশী অস্ত্রবাহী গোষ্ঠীর উপস্থিতি বন্ধ করার বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- 📌 বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- 📌 ডেভেলপমেন্ট রোড প্রকল্প সহ যৌথ রণনীতিগত প্রকল্পগুলোর গতি বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মত হয়েছেন দুই দেশের নেতৃবৃন্দ।
- 📌 ৬০০ তুরস্কের সৈনিক বাশিকা ঘাঁটিতে অবস্থান করতেন, যা ইরাকের সার্বভৌমত্বের উপর প্রশ্ন তুলেছিল।
📰 বিস্তারিত
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির সidelines-এ অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি এবং তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান বাশিকা সামরিক ঘাঁটি হস্তান্তরের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার মাধ্যমে ইরাকের সার্বভৌমত্বের উপর তুরস্কের দাবি সমাধান করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, "এই ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে তারা সিনজার অঞ্চলে ইরাকের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বিদেশী অস্ত্রবাহী গোষ্ঠীর উপস্থিতি বন্ধ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন।" এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পি.কে.কে.), যারা সিনজার পর্বতমালায় অবস্থান করতেন।
এছাড়াও, ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি, স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর তৎক্ষণাত কার্যকরকরণ এবং বিশেষত ডেভেলপমেন্ট রোড প্রকল্প সহ যৌথ রণনীতিগত প্রকল্পগুলোর গতি বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মত হয়েছে।"
বাশিকা সামরিক ঘাঁটি ২০১৫ সালে ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের সাথে তুরস্কের একটি চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই ঘাঁটিতে তুরস্কের সর্বোচ্চ ৬০০ সৈনিক অবস্থান করতেন, যারা ইসিসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রশিক্ষণ দিতেন। তবে এই উপস্থিতি ইরাকের কর্তৃপক্ষের কাছে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হয়েছিল।
"এই ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে তারা সিনজার অঞ্চলে ইরাকের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং বিদেশী অস্ত্রবাহী গোষ্ঠীর উপস্থিতি বন্ধ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাশিকা (মুসল, উত্তর ইরাক), সিনজার অঞ্চল (উত্তর ইরাক), ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি (নিউ ইয়র্ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি, তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রেসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ (তুরস্কের সৈনিক), ৩ (বিবৃতির অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!