📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তুরস্কের স্বনির্মিত বিমানবাহী রণতরী ‘মুগেম’ সমুদ্রে নামতে যাচ্ছে আগামী বছর

তুরস্কের স্বনির্মিত বিমানবাহী রণতরী ‘মুগেম’ সমুদ্রে নামতে যাচ্ছে আগামী বছর

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তুরস্কের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী ‘মুগেম’ আগামী বছর সমুদ্রে নামানোর প্রস্তুতি চলছে। দেশটির নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগ্লু জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এটি প্রথম সমুদ্রে নামবে। রণতরীটি যুদ্ধবিমান ছাড়াও মানববিহীন আকাশযান ও নৌযান পরিচালনার সক্ষমতাসম্পন্ন হবে

তুরস্কের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী ‘মুগেম’ আগামী বছর সমুদ্রে নামানোর প্রস্তুতি চলছে। দেশটির নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগ্লু জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এটি প্রথমবারের মতো সমুদ্রে নামানো হবে। রোববার (২৩ আগস্ট) তুরস্কের কোকায়েলি প্রদেশের গলচুক নৌঘাঁটিতে আয়োজিত ‘টেকনোফেস্ট ব্লু হোমল্যান্ড’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তুরস্কের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী ‘মুগেম’ ২০২৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সমুদ্রে নামবে
  • 📌 রণতরীটিতে ৫২টি ‘কিজিলেলমা’ মানববিহীন যুদ্ধবিমান রাখার সক্ষমতা থাকবে
  • 📌 মুগেম যুদ্ধবিমান পরিচালনার পাশাপাশি মানববিহীন আকাশযান ও নৌযান পরিচালনা করতে সক্ষম হবে
  • 📌 জাহাজটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৫ মিটার, সর্বোচ্চ প্রস্থ ৭২ মিটার ও ওজন প্রায় ৬০ হাজার টন
  • 📌 মুগেম যুক্তরাষ্ট্রের জেরাল্ড আর. ফোর্ড শ্রেণির রণতরী থেকে ছোট হলেও মানববিহীন যান পরিচালনার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মডেল তৈরি করবে

📰 বিস্তারিত

তুরস্কের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগ্লু জানিয়েছেন, মুগেম প্রকল্পের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, এই রণতরী শুধুমাত্র যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হবে না; একই প্ল্যাটফর্ম থেকে মানববিহীন আকাশযান, নৌযান ও পানির নিচে চলাচলকারী মানববিহীন যান পরিচালনার সক্ষমতাও থাকবে। তার মতে, এমন সমন্বিত সক্ষমতাসম্পন্ন বিমানবাহী রণতরী পরিচালনা করা বিশ্বে প্রথম হবে তুরস্ক।

তাতলিওগ্লু আরও জানান, মুগেমে চার ধরনের দেশীয় আকাশযান ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে— হুরজেটের নৌ সংস্করণ, কিজিলেলমা মানববিহীন যুদ্ধবিমান, আনকা-৩ উড়ন্ত ডানা নকশার মানববিহীন যুদ্ধবিমান ও টিবি-৩ মানববিহীন যুদ্ধবিমান। রণতরিটিতে স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন ও অবতরণ ব্যবস্থার (এসটিওবিএআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর সামনের দিকে ১২ ডিগ্রি কোণে একটি ‘স্কি-জাম্প’ র্যাম্প থাকবে, যা বিমান উড্ডয়নে সহায়তা করবে।

তুরস্কের শিল্প ও প্রযুক্তিমন্ত্রী মেহমেত ফাতিহ কাচির জানান, মুগেম প্রকল্পের মাধ্যমে দেশটি এখন শুধু উপকূলীয় জলসীমা পাহারা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; দেশটির নৌ সক্ষমতার লক্ষ্য আন্তমহাদেশীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে পৌঁছানো। তিনি তুরস্কের আরও কয়েকটি দেশীয় প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে রয়েছে টিএফ-২০০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ডেস্ট্রয়ার, টিসিজি আনাদোলু, আদা শ্রেণির করভেট, টিসিজি ইস্তাম্বুল ফ্রিগেট এবং রেইস শ্রেণির সাবমেরিন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তুরস্কের কোকায়েলি প্রদেশের গলচুক নৌঘাঁটি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগ্লু, মেহমেত ফাতিহ কাচির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মুগেমের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিটার, প্রস্থ ৭২ মিটার, ওজন ৬০ হাজার টন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖