📌 তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে শনিবার (১৭ অক্টোবর) হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়। বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে প্রতিবাদ আয়োজন করে
তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিশাল জনসমাবেশ ও বিক্ষোভে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের পদত্যাগের জোরালো দাবি জানানো হয়। দেশের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে তিউনিসিয়ার প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠন ‘তিউনিসিয়ান জেনারেল লেবার ইউনিয়ন’ (ইউজিটিটি) এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ অক্টোবর তিউনিসের রাজপথে হাজার হাজার মানুষের বিক্ষোভে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়
- 📌 বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মুনির জেলাসি (মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) বলেন, বাকস্বাধীনতার সংকুচিত হওয়া এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে তিনি মিছিলে যোগ দিয়েছেন
- 📌 ইউজিটিটি-এর মহাসচিব সালাহ উদ্দিন সালমি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি সংলাপ পাশ কাটিয়ে চলে, তাহলে রাজপথই হবে আলোচনার মঞ্চ
- 📌 বিক্ষোভে অংশ নেয় পিপলস মুভমেন্ট, আন-নাহদা আন্দোলন এবং ন্যাশনাল স্যালভেশন ফ্রন্টসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি
- 📌 বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং প্রেসিডেন্ট সাঈদের পদত্যাগের দাবি জানান
📰 বিস্তারিত
তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে শনিবার (১৭ অক্টোবর) তিউনিসিয়ান জেনারেল লেবার ইউনিয়ন (ইউজিটিটি) এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগে বিশাল বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। এই বিক্ষোভের শুরু হয় শ্রমিক ইউনিয়নের সদর দপ্তরের সামনে থেকে। বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর রাজপথে পদযাত্রা করার সময় সরকারবিরোধী তীব্র স্লোগান দেন এবং প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদের পদত্যাগের দাবি জানান।
বিক্ষোভের শেষ পর্যায়ে মিউনিসিপ্যাল থিয়েটারের সামনে আয়োজিত সমাবেশে ইউজিটিটি-এর মহাসচিব সালাহ উদ্দিন সালমি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “কর্তৃপক্ষ যদি সংলাপ বা আলোচনা পাশ কাটিয়ে চলে, তবে রাজপথ ও জনবহুল চত্বরগুলোই হয়ে উঠবে আলোচনার মূল মঞ্চ। তিনি তিউনিসিয়ার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মুনির জেলাসি নামের এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গণমাধ্যমকে জানান, তিনি মূলত দুটি প্রধান কারণে এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন। প্রথমত, তিনি বলেন, “দেশে দিন দিন বাকস্বাধীনতার সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসছে এবং মৌলিক স্বাধীনতার ওপর নানা কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পক্ষে নিজ দেশেই স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
"কর্তৃপক্ষ যদি সংলাপ বা আলোচনা পাশ কাটিয়ে চলে, তবে রাজপথ ও জনবহুল চত্বরগুলোই হয়ে উঠবে আলোচনার মূল মঞ্চ। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিউনিস, তিউনিসিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ, সালাহ উদ্দিন সালমি, মুনির জেলাসি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!