📌 তিউনিসিয়ার রাজধানী তুনিসে সাবতাহর বড়ো প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ সাইয়েদ সরকারের বিরুদ্ধে বের হয়। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা দাবি করে সরকারের পদত্যাগ এবং রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি।
তিউনিসিয়ার রাজধানী তুনিসে সাবতাহর (১৭ অক্টোবর ২০২৬) বড়ো প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি কাইস সাইয়েদের সরকারের বিরুদ্ধে বের হয়। অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা এবং সরকারি নীতির বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদে অংশ নেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, কর্মকর্তা, সাংবাদিক, চিকিৎসক এবং কর্মসংস্থানহীন যুবকরা। এই প্রতিবাদকে তিউনিসিয়ার ইতিহাসে সাইয়েদের বিরুদ্ধে সর্ববৃহৎ আন্দোলন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩০০০-এরও বেশি মানুষ** অংশ নেয় প্রতিবাদে, তবে সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি — এফপি সংবাদ সংস্থা প্রতিবেদন করে।
- 📌 **তিউনিসিয়ার সাধারণ শ্রমিক ইউনিয়ন (ইউজিটিটি)** এবং বিরোধী দলসমূহের নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 **হাবিব বুর্গিবা অ্যাভিনিউ**তে সমাবেশে অংশ নেয় আইনজীবী, ডাক্তার, সাংবাদিক, কর্মসংস্থানহীন ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক দলের সদস্যরা।
- 📌 **প্রতিবাদকারীরা দাবি করে** সরকারি নীতির বিরুদ্ধে — "নো ডেমোক্রেসি উইথাউট ফ্রিডমস" এবং "নো ডিজিনিটি উইথ পাভার্টি" শ্লোগান নিয়ে বের হয়।
- 📌 **সালাহ এদ্দিন সাল্মি** (ইউজিটিটি নেতা) সরকারের রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণকে সমালোচনা করে বলেন, "শান্তি আরো বেশি স্বীকারযোগ্য হবে না"।
- 📌 **২৫০ কিলোমিটার দূর থেকে** সফাকের যুবক **ইয়াসিন গার্সেলি** অংশ নেয় প্রতিবাদে। তিনি বলেন, "আমি সফাক থেকে এসেছি স্বাধীনতার জন্য দাঁড়াতে"।
- 📌 **২০ আগস্ট**ও তুনিসে প্রতিবাদ হয় — দাম বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটের বিরুদ্ধে। আগস্টের শেষে তেল পরিবহন কর্মীরা **২ দিনের হরতাল** করে।
- 📌 **২০১১ সালের বিপ্লব**ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে এই প্রতিবাদ — তখন দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রপতি **জিন এল আবিদিন বেন আলি** পদত্যাগ করেন।
- 📌 **২০২১ সালে** সাইয়েদ সংসদ বিলুপ্ত করে এবং সরকার ভেঙে দেন, পরে **২০২২ সালে** নতুন সংবিধান জারি করে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি করেন।
📰 বিস্তারিত
তিউনিসিয়ার রাজধানী তুনিসে সাবতাহর (১৭ অক্টোবর ২০২৬) বড়ো প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ সাইয়েদ সরকারের বিরুদ্ধে বের হয়। এই প্রতিবাদকে তিউনিসিয়ার ইতিহাসে সাইয়েদের বিরুদ্ধে সর্ববৃহৎ আন্দোলন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবাদে অংশ নেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, কর্মকর্তা, সাংবাদিক, চিকিৎসক এবং কর্মসংস্থানহীন যুবকরা। প্রতিবাদকারীরা দাবি করে সরকারি নীতির বিরুদ্ধে — বিশেষত অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা এবং সরকারি নীতির বিরুদ্ধে।
হাবিব বুর্গিবা অ্যাভিনিউতে সমাবেশে অংশ নেয় আইনজীবী, ডাক্তার, সাংবাদিক, কর্মসংস্থানহীন ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক দলের সদস্যরা। প্রতিবাদকারীরা দাবি করে সরকারি নীতির বিরুদ্ধে — "নো ডেমোক্রেসি উইথাউট ফ্রিডমস" এবং "নো ডিজিনিটি উইথ পাভার্টি" শ্লোগান নিয়ে বের হয়। প্রতিবাদকারীরা সরকারের পদত্যাগ এবং রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবি জানায়।
সালাহ এদ্দিন সাল্মি (ইউজিটিটি নেতা) সরকারের রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণকে সমালোচনা করে বলেন, "শান্তি আরো বেশি স্বীকারযোগ্য হবে না"। তিনি সরকারের বিরুদ্ধে দাবি জানান যে, "সরকারের ক্ষমতা এককভাবে রাষ্ট্রপতির হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যা গণতন্ত্রের বিপরীতে"।
অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রতিবাদকারীরা দাবি করে সরকারের পদত্যাগ এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা উঠিয়ে দেওয়ার জন্য। প্রতিবাদকারীরা বলেন, "আমরা আরো বেশি স্বাধীনতা চাই, যা আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করবে"।
"আমি সফাক থেকে এসেছি স্বাধীনতার জন্য দাঁড়াতে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাবিব বুর্গিবা অ্যাভিনিউ, তুনিস (তিউনিসিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাইস সাইয়েদ (রাষ্ট্রপতি), সালাহ এদ্দিন সাল্মি (ইউজিটিটি নেতা), ইয়াসিন গার্সেলি (প্রতিবাদকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০০+ মানুষ, ২৫০ কিলোমিটার (সফাক থেকে তুনিসের দূরত্ব), ২ দিনের হরতাল (তেল পরিবহন কর্মীরা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!