📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাদের যৌথ লড়াইয়ের ইতিহাস তুলে ধরেন। ট্রাম্প চীনকে যুদ্ধের ‘মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন, আর শি বলেন, ‘রক্ত-আগুনে গড়া’ বন্ধন তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তাদের যৌথ লড়াইয়ের ইতিহাসকে স্মরণ করে বর্তমান সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বাগত অনুষ্ঠানে ট্রাম্প চীনকে যুদ্ধের ‘মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অভিন্ন স্বার্থের উপর মনোযোগ দিলে দুই দেশের মধ্যে অনেক কিছু অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২য় বিশ্বযুদ্ধের মিত্র চীন — ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে স্বাগত অনুষ্ঠানে চীনকে যুদ্ধের ‘মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
- 📌 ‘রক্ত-আগুনে গড়া’ বন্ধন — শি জিনপিং বলেন, দু’দেশের মধ্যে ‘রক্ত-আগুনে গড়া’ ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে।
- 📌 অভিন্ন স্বার্থের উপর জোর — ট্রাম্প বলেন, অভিন্ন স্বার্থের অনুসন্ধানই দুই দেশকে দীর্ঘদূরত্ব ও মতপার্থক্য পেরিয়ে একত্রিত করেছে।
- 📌 বৈঠকের আগে রাষ্ট্রীয় স্বাগত — ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে দুই নেতা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সহযোগিতার ইতিহাস তুলে ধরেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বাগত অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানানোর সময় বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের অভিন্ন স্বার্থের দিকে মনোযোগ দিই, তাহলে আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারব।’ তিনি আরও বলেন, ‘এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দুই দেশকে মিত্রে পরিণত করেছিল এই অভিন্ন স্বার্থ।’
শি জিনপিংও দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘দু’দেশের মধ্যে ‘রক্ত-আগুনে গড়া’ বন্ধন রয়েছে।’ দুই নেতা বারবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন, যখন বর্তমানে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে টানাপোড়েন রয়েছে। তাদের বক্তব্য অতীতের যৌথ লড়াইয়ের ইতিহাসকে সামনে আনার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বর্তমান সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে।
দুই নেতার বক্তব্য এমন সময়ে আসে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতপার্থক্য ও টানাপোড়েনের মুখোমুখি। তবে তারা ঐতিহাসিক সহযোগিতার কথা তুলে ধরার মাধ্যমে সম্পর্কের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ভবিষ্যতে অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
"আমরা যদি আমাদের অভিন্ন স্বার্থের দিকে মনোযোগ দিই, তাহলে আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (হোয়াইট হাউস), বেইজিং
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট), শি জিনপিং (চীনের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর (বৈঠকের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!