📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেইনস্ট্রিম মিডিয়া থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য নিজস্ব ২৪ ঘণ্টা চ্যানেল 'ট্রাম্প টিভি' চালু করেছেন। তিনি সপ্তাহান্তে সিএনএন, এমএসএনও এবং পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত করার পর, পাঁচটি প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্কও প্রতিবাদে কভারেজ বন্ধ করে দিয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য একটি নতুন প্রচেষ্টায় বসেছেন। তিনি হোয়াইট হাউসের তত্ত্বাবধানে একটি ২৪ ঘণ্টা চ্যানেল ‘ট্রাম্প টিভি: দ্য এসেনশিয়ালস স্টেশন’ চালু করেছেন, যা মূলত তার নিজস্ব বক্তৃতা, প্রশাসনিক ঘোষণা এবং নির্বাচিত প্রেসিডেন্সি হাইলাইটস প্রচার করবে। এই পদক্ষেপটি তার সপ্তাহান্তে সিএনএন, এমএসএনও এবং পলিটিকোর হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্তের পর ঘটেছে, যা মিডিয়া সম্প্রদায়ে একটি বড় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ ঘণ্টা অনলাইন চ্যানেল ‘ট্রাম্প টিভি’ চালু করেছে হোয়াইট হাউস, যেখানে কোনো রিপোর্টার বা অ্যানকর নেই — শুধুমাত্র ট্রাম্পের বক্তৃতা, প্রশাসনিক ঘোষণা এবং অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে।
- 📌 সিএনএন, এমএসএনও ও পলিটিকোকে বরখাস্তের পর পাঁচটি প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (এবিসি, সিবিএস, ফক্স নিউজ, এনবিসি) প্রতিবাদে হোয়াইট হাউস কভারেজ বন্ধ করে দিয়েছে।
- 📌 হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত করা তিনটি মিডিয়া আউটলেট প্রথমে প্রথম সংবিধান অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনকে মামলা দায়ের করেছে।
- 📌 ট্রাম্পের নিজস্ব মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি মিডিয়া আউটলেটগুলিকে ‘ফেক নিউজ’ প্রচারকারী বলে অভিযুক্ত করেছেন এবং বলেছেন, “তারা আমার অর্জনকে হীনতায় ফেলে দিচ্ছে”।
- 📌 ২০২৫ সাল থেকে ট্রাম্প প্রশাসন এনএপি, নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ বিভিন্ন মিডিয়া আউটলেটের বিরুদ্ধে মামলা করে আসছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিডিয়া বিরোধী পদক্ষেপের নতুন ধাপে হোয়াইট হাউসের তত্ত্বাবধানে একটি অনলাইন ভিডিও চ্যানেল চালু হয়েছে। এই চ্যানেলে কোনো রিপোর্টার বা অ্যানকর নেই — শুধুমাত্র ট্রাম্পের বক্তৃতা, প্রশাসনিক ঘোষণা এবং নির্বাচিত অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে। এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে তার সপ্তাহান্তে সিএনএন, এমএসএনও এবং পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত। এই বরখাস্তের পর পাঁচটি প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (এবিসি, সিবিএস, ফক্স নিউজ, এনবিসি) প্রতিবাদে তাদের কভারেজ বন্ধ করে দিয়েছে।
সিএনএন, এমএসএনও এবং পলিটিকো হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্তের পর তারা প্রথম সংবিধান অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনকে মামলা দায়ের করেছে। ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ায় তিনি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “ওভাল অফিসকে দেকোরাম, রেসপেক্ট এবং ডিজিনিটি দিয়ে ভালোভাবে পরিচালনা করা উচিত, না হলে তৃতীয় শ্রেণীর জোকারদের দ্বারা এটি দূষিত হবে। তিনি আরও বলেছেন, ‘কোনোভাবে আমার অর্জনকে তারা হীনতায় ফেলে দিচ্ছে’।
হোয়াইট হাউস ব্রডকাস্টিং পুলের অংশ হিসেবে পাঁচটি নেটওয়ার্ক (এবিসি, সিবিএস, সিএনএন, ফক্স নিউজ, এনবিসি) প্রতিদিন হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠান কভারেজ করে থাকে। সিএনএনকে বরখাস্তের পর বাকি চারটি নেটওয়ার্ক প্রতিবাদে তাদের কভারেজ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে একটি হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের উপস্থিতিতে কোনো টেলিভিশন কভারেজ না থাকায়, নিউজম্যাক্সের মাধ্যমে শুধুমাত্র ভিজুয়াল কভারেজ প্রচারিত হয়েছে, কিন্তু কোনো অডিও বা রিপোর্টিং ছিল না।
এছাড়াও, এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), ওয়াশিংটন পোস্ট এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ অন্যান্য সংবাদ সংস্থাগুলো হোয়াইট হাউস ফটোগ্রাফারদের তোলা ছবি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো মিডিয়া সম্প্রদায়ে একটি বড় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং ট্রাম্পের মিডিয়া বিরোধী নীতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে।
"তারা আমার অর্জনকে হীনতায় ফেলে দিচ্ছে। কোনোভাবে আমার অর্জনকে তারা হীনতায় ফেলে দিচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি (হোয়াইট হাউস), নিউ ইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা (চ্যানেলের সময়সূচি), ৫টি নেটওয়ার্ক (প্রতিবাদকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!