📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার একদিন আগে স্থগিতাদেশ জারি করেছেন। ইউক্রেনের যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে গত মাসে পাস হওয়া আইনটি কার্যকর হওয়ার আগেই তিনি স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্প পুতিনের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের আইন কার্যকর হওয়ার একদিন আগে স্থগিতাদেশ জারি করেছেন। এই সিদ্ধান্তের পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করার কথা বলেছেন তিনি। গত মাসে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আইন পাস করা হয়েছিল ইউক্রেনের যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। তবে ট্রাম্পের নমনীয় অবস্থান নেওয়ার কারণে এই আইন কার্যকর হওয়ার আগেই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশিয়া-নিষেধাজ্ঞা স্থগিত: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার একদিন আগে স্থগিতাদেশ জারি করেছেন।
- 📌 জাতীয় স্বার্থের কথা: ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে।
- 📌 পুতিনের প্রতি নমনীয়তা: ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ডন বেয়ার। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প পুতিনের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন।
- 📌 বিশ্ববাজারে তেলের দামের আশঙ্কা: বিশ্লেষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বেড়ে যেত।
- 📌 ৩০ দিনের শর্ত: আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার তেল বা গ্যাস কেনা দেশগুলোর পণ্যে ৩০ দিনের মধ্যে শুল্ক আরোপের সুযোগ ছিল।
📰 বিস্তারিত
গত মাসে মার্কিন কংগ্রেস রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের আইন পাস করেছিল। এই আইনে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ শতভাগ শুল্ক আরোপের বিধান ছিল। তবে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, তিনি বা তাঁর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের পিছনে ট্রাম্পের ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সমালোচনা ও রাশিয়ার প্রতি নমনীয় অবস্থান নেওয়ার কথা উল্লেখযোগ্য। ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেনে নতুন নেতা নির্বাচনের সময় এসেছে। এছাড়াও, মার্কিন ভোক্তাদের জন্য জ্বালানির দাম বাড়ার আশঙ্কা ছিল। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের পর জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ভোক্তারা ইতিমধ্যেই চাপে রয়েছেন।
সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ছিলেন এই আইনটির অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক। তিনি বলেছিলেন, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বা গ্যাসের সবচেয়ে বড় পাঁচ আমদানিকারক দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ শতভাগ শুল্ক আরোপ করতে পারত। তবে ট্রাম্পের স্থগিতাদেশের কারণে এই শুল্ক আরোপের সুযোগ বাতিল হয়ে গেছে।
"যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কের ওপর এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।"
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ডন বেয়ার ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘পুতিনের কাছে ট্রাম্পের এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আবারও আমাদের ইউক্রেনীয় অংশীদারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। রাশিয়ার অবৈধ আগ্রাসনের শাস্তি দিতে প্রণীত আইনটির বিষয়ে কংগ্রেসের স্পষ্ট অভিপ্রায়কেও তিনি উপেক্ষা করেছেন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (হোয়াইট হাউস), ইউক্রেন, রাশিয়া, ইরান, ইসরায়েল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভ্লাদিমির পুতিন, ভলোদিমির জেলেনস্কি, ডন বেয়ার, লিন্ডসে গ্রাহাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!