📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত 'শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস' জোটের সম্মেলনে ২৪টি নারকো-অপরাধ সংগঠনকে 'সাম্প্রদায়িক বিপদ' ঘোষণা করে 'অসীম সামরিক শক্তি' ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দেন। জোটের ১৫টি দেশের নেতারা সম্পদ জমা রাখা ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন। আল জাজীরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ট্রাম্পের 'মোনরো ডাক্তাবী' পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক সিটির ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলির পাশারোদ্ধে অনুষ্ঠিত 'শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস' জোটের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে ২৪টি নারকো-অপরাধ সংগঠনকে 'পশ্চিমা হেমিসফিয়ারের আইসিস' বলে অভিহিত করে। তিনি জোটের সদস্য দেশগুলিকে 'অসীম সামরিক শক্তি' ব্যবহার করে এই সংগঠনগুলিকে লক্ষ্য করার আহ্বান জানান। ট্রাম্প বলেন, "আমি সব দেশকে এই জোটের অধীনে নারকো-অপরাধীদের 'সাম্প্রদায়িক বিপদ' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে এবং তাদের বিরুদ্ধে 'ভাঙনকারী নিষেধাজ্ঞা' আরোপ করতে বলছি।" এই ঘোষণা দেওয়া হয় ২৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ট্রাম্প ২৪টি নারকো-অপরাধ সংগঠনকে 'পশ্চিমা হেমিসফিয়ারের আইসিস' বলে অভিহিত করে 'অসীম সামরিক শক্তি' ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দেন।
- 📌 'শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস' জোটের ১৫টি দেশের নেতারা ২৪টি সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে সম্পদ জমা রাখা ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।
- 📌 জোটের তালিকায় রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত 'টেররিস্ট' সংগঠন মারা সালভাত্রুচা (MS-13) ও ভেনেজুয়েলার ট্রেন ডি আরাগুয়া।
- 📌 আল জাজীরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ট্রাম্পের 'মোনরো ডাক্তাবী' পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা, যা ১৯শ শতাব্দীর একটি মার্কিন নীতির পুনরুজ্জীবন।
- 📌 ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ইউনাইটেড নেশনসের ভাষণে বলেন, "ব্রাজিল কেউের পিছনের বাগান নয়।" তিনি ট্রাম্পের নীতিকে 'পুনরুজ্জীবিত হেগেমোনিক আগ্রাসনের' চিহ্ন হিসেবে দেখেন।
📰 বিস্তারিত
নিউ ইয়র্ক সিটিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, "আমি আমেরিকার নেতৃত্বে এই জোটের অধীনে ২৪টি নারকো-অপরাধ সংগঠনকে 'সাম্প্রদায়িক বিপদ' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে এবং তাদের বিরুদ্ধে 'ভাঙনকারী নিষেধাজ্ঞা' আরোপ করতে বলছি।" তিনি এই সংগঠনগুলিকে "পশ্চিমা হেমিসফিয়ারের আইসিস" বলে অভিহিত করেন। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১৫টি দেশের নেতারা একটি যৌথ ঘোষণা জারি করে, যেখানে তারা এই সংগঠনগুলোর সদস্যদের বিরুদ্ধে সম্পদ জমা রাখা ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতি দেন।
জোটের তালিকায় রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত 'টেররিস্ট' সংগঠন মারা সালভাত্রুচা (MS-13) — মধ্য আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী অপরাধ সংগঠন — এবং ভেনেজুয়েলার ট্রেন ডি আরাগুয়া, যা কলম্বিয়া, পেরু ও চিলেও সক্রিয়। তালিকায় রয়েছে মেক্সিকান কার্টেল, কলম্বিয়ার জাতীয় মুক্তি সেনাবাহিনী, ব্রাজিলের প্রাইমেরো কমান্দো ডা ক্যাপিটাল ও কমান্দো ভের্মেলো, এবং পেরুর শাইনিং পাথ। আল জাজীরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ট্রাম্পের 'মোনরো ডাক্তাবী' পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা, যা ১৯শ শতাব্দীর একটি মার্কিন নীতির পুনরুজ্জীবন।
আল জাজীরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে ট্রাম্পের 'মোনরো ডাক্তাবী' পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা, যা ১৯শ শতাব্দীর একটি মার্কিন নীতির পুনরুজ্জীবন। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা সতর্কতা জানান। তিনি ইউনাইটেড নেশনসের ভাষণে বলেন, "ব্রাজিল কেউের পিছনের বাগান নয়।" তিনি ট্রাম্পের নীতিকে 'পুনরুজ্জীবিত হেগেমোনিক আগ্রাসনের' চিহ্ন হিসেবে দেখেন।
"আমি সব দেশকে এই জোটের অধীনে নারকো-অপরাধীদের 'সাম্প্রদায়িক বিপদ' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে এবং তাদের বিরুদ্ধে 'ভাঙনকারী নিষেধাজ্ঞা' আরোপ করতে বলছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক সিটি, ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, আলেসান্দ্রো রাম্পিয়েটি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪টি নারকো-অপরাধ সংগঠন, ১৫টি দেশের নেতা, ২২৩ জন নিহত (ট্রাম্পের নারকোটিক্স বোমা হামলায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!