📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব করেছেন বলে জানা গেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ ফক্স নিউজে বলেছেন, সি চিন পিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকালে ট্রাম্প তাইওয়ানের অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি উঠে এসেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব করেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ। ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে পারডিউ বলেছেন, চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে তিনি জানান, গত সপ্তাহে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকালে ট্রাম্প তাইওয়ানের অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবের পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কোনো পরিবর্তন হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ জানান, ট্রাম্প চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব করেছেন বলে দাবি করেছেন।
- 📌 সি চিন পিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকালে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি’।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ করতে বাধ্য।
- 📌 গত জুনে চীন তাইওয়ানকে সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে স্বাধীনতা লাভের চেষ্টা বর্জন করুন।
- 📌 গত বছরের ডিসেম্বরে তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
- 📌 এটি ১৯৭৯ সালের পর যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলে তাইওয়ানের কাছে সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির ঘটনা।
📰 বিস্তারিত
চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবের বিষয়টি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে। পারডিউ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ‘আমরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি’। তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকালে সরাসরি জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু অস্ত্র কিনতে চান কি না। পারডিউ আরও জানান, ‘অন্যান্য অস্ত্র বিক্রির বিষয়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প ও সি যখনই একসঙ্গে বসেন, তখনই তাঁরা এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন।’
চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিরোধের একটি বড় কারণ। যুক্তরাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করতে বাধ্য। পারডিউ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে গত জুনে চীন তাইওয়ানকে সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে বা সামরিক উপায়ে স্বাধীনতা খোঁজা বৃথা চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।
গত বছরের ডিসেম্বরে তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল ওয়াশিংটন। এটি ১৯৭৯ সালের পর যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলে তাইওয়ানের কাছে সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির ঘটনা। সি চিন পিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি ট্রাম্পকে তাইওয়ানের বিষয়ে ‘বিচক্ষণতা’ দেখানোর আহ্বান জানান এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করতে বলেন।
এদিকে, গত মে মাসে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তাইপের (তাইওয়ান) জন্য আসন্ন একটি অস্ত্রসহায়তা প্যাকেজকে চীনের সঙ্গে দর–কষাকষির ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর তাইওয়ানের নিরাপত্তাব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
"আমরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। এমনকি একপর্যায়ে তিনি প্রেসিডেন্ট সিকে সরাসরি জিজ্ঞেসও করেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু অস্ত্র কিনতে চান কি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীন, যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, সি চিন পিং, ডেভিড পারডিউ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ১১০ কোটি ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!