📌 যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ আন্দোলনকারীরা ৩ হাজার কর্মসূচি চালিয়ে গেছে। তারা ভোটারদের সচেতন করে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। ইরান যুদ্ধের কারণে জীবনযাপনের খরচ বাড়ার পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মঞ্চে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ আন্দোলনকারীরা নতুন রূপ দিচ্ছেন। গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) তারা প্রায় তিন হাজার ছোটো কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিলো আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের সচেতন করে আগাম ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো। ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ও জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড কমে যাওয়ায় রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ‘নো কিংস’ আন্দোলনকারীরা ৩ হাজার ছোটো কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন, যার লক্ষ্য ছিলো ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আগাম ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো।
- 📌 ওয়াশিংটন থেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন শহরে ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে, গাড়ির বহর নিয়ে হর্ন বাজিয়ে এবং সংগীতানুষ্ঠান করে কর্মসূচি পালন করা হয়।
- 📌 ৬৬ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাবিন কার্লসন বলেছেন, ‘ভোট দেওয়া হলো ক্ষমতা প্রয়োগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ’। তিনি ভোটারদের জানাতে চান কোথায় এবং কীভাবে ভোট দিতে হয়।
- 📌 ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর এবারের কর্মসূচি হলো চতুর্থবারের মতো। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, ট্রাম্প নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে বা রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন, যা মার্কিন সংবিধানের বিরুদ্ধে।
- 📌 ভোটাধিকার সংগঠন ‘কমন কজের’ তৃণমূল সংগঠক আলমা কুভার্থি বলেছেন, ‘ভোট দেওয়া হলো জনগণের দায়িত্ব পালনের কাজ’। তারা আগাম ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয় রোধের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মঞ্চে ‘নো কিংস’ আন্দোলনকারীরা এইবার নতুন ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা বড় বড় সমাবেশের বদলে ছোটো কর্মসূচি দিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিলো আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো। ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ও জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড কমে যাওয়ায় রিপাবলিকান পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) ওয়াশিংটন থেকে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি পালন করেন। কোথাও কোথাও তারা গাড়ির বহর নিয়ে হর্ন বাজিয়ে, কোথাও সংগীতানুষ্ঠান করে এবং কোথাও জমায়েত করে কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা ভোটারদের নিবন্ধন ও ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করেছেন।
৬৬ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাবিন কার্লসন ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল ভবনের কাছে ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ছাতায় লেখা ছিলো ‘ভোট, ক্ষমতা, জনগণ’। তিনি বলেন, ‘ক্ষোভ প্রকাশ করা ভালো, অভিযোগও অনেক। কিন্তু সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো ভোট দেওয়া। ভোটারদের জানতে হবে কোথায় এবং কীভাবে ভোট দিতে হয়, তাঁদের নিবন্ধন ঠিক আছে কি না। ভুল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যেন কেউ সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়েও সচেতনতা প্রয়োজন।’
"ভোট দেওয়াকে মানুষ যেন ক্ষমতা প্রয়োগ, দায়িত্ব পালন ও আনন্দের কাজ হিসেবে দেখেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।"
ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘কমন কজের’ তৃণমূল সংগঠক আলমা কুভার্থি বলেন, ‘ভোট দেওয়া হলো জনগণের দায়িত্ব পালনের কাজ। আমরা আশা করি, আগাম ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয় রোধ করা যাবে। তবে আন্দোলনের আয়োজকদের আশঙ্কা, নির্বাচনে রিপাবলিকানরা পরাজিত হলে ফল নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা তা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হতে পারে। এই আশঙ্কার কারণেই তাঁরা আগাম ভোটকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাবিন কার্লসন, আলমা কুভার্থি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার কর্মসূচি, ৩ নভেম্বর, ৬৬ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!