📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ট্রাম্প চীনের নেতাকে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিলেন: ‘কিনতে চান কি?’

ট্রাম্প চীনের নেতাকে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিলেন: ‘কিনতে চান কি?’

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 অজকের প্রতিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে বৈঠকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, চীন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কিনতে আগ্রহী কি না। তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ার পিছনে এই প্রস্তাবের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলছে

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ গতকাল রোববার প্রকাশ্য করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে বৈঠকে সরাসরি জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, চীন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কিনতে আগ্রহী কি না। এই তথ্য ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের অনলাইন পত্রিকা অজকের প্রতিকা প্রকাশ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ বলেছেন, ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে জিজ্ঞেস করেছিলেন: ‘আপনি কি আমাদের অস্ত্র কিনতে চান?’
  • 📌 তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ার পিছনে এই প্রস্তাবের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
  • 📌 ট্রাম্প প্রশাসন চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে বড় সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে দেখে, কিন্তু তাইওয়ানের অস্ত্র বিক্রি অনুমোদন দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন
  • 📌 মার্কিন বিশেষজ্ঞ জ্যাক কুপার বলেছেন, সি চিনপিং ‘সব আইটেমের একটা করে দিন’ বলে প্রতিক্রিয়া দিতে পারতেন
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ‘এক চীন’ নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি, তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা অব্যাহত রাখার আশা চীন করছে

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ওয়াশিংটনে বৈঠকের এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার বলেছিলেন, ‘আমরা সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। একপর্যায়ে তিনি প্রেসিডেন্ট সি-কে সরাসরি জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি কি কিছু অস্ত্র কিনতে চান?’ এই প্রস্তাবের পিছনে ধারণা করা হচ্ছিল যে, সি চিনপিংকে সন্তুষ্ট রাখা এবং চীনা নেতার সঙ্গে বৈঠকগুলো ভেস্তে না যাওয়ার জন্য ট্রাম্প এই অনুমোদন বিলম্বিত করেছেন। তবে পারডিউ স্পষ্ট করেননি যে, এই প্রস্তাব ট্রাম্প চলতি সপ্তাহের শীর্ষ বৈঠকের সময় দিয়েছিলেন কিনা, বা মে মাসে বেইজিংয়ে তাঁদের বৈঠকের সময় দিয়েছিলেন কিনা।

এই প্রস্তাবের পিছনে আরও একটি কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইরানকে সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে চীনের উদ্বেগ। বিশেষ করে সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের এশিয়া নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জ্যাক কুপার বলেছেন, ‘ট্রাম্পের কথিত এই প্রস্তাবটি উন্মাদনাপূর্ণ। আমি বাজি ধরে বলতে পারি, সি চিনপিং হয়তো বলতে চেয়েছিলেন: ‘সব আইটেমের একটা করে দিন, প্লিজ’। একই সময়ে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিতে ট্রাম্প অনীহা দেখাচ্ছেন, অথচ চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিচ্ছেন, এটি বিস্ময়কর।’

শীর্ষ বৈঠকের আগে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা উদ্বিগ্ন ছিল যে, সি চিনপিংয়ের কাছ থেকে কোনো বিনিময়মূল্য আদায়ের জন্য ট্রাম্প তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দুর্বল করে দিতে পারেন। মে মাসে বেইজিংয়ে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর ট্রাম্প উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তখন তিনি তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রিকে ‘ভালো দর-কষাকষির হাতিয়ার’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

হোয়াইট হাউসের এশিয়া-বিষয়ক সাবেক শীর্ষ উপদেষ্টা ডেনিস ওয়াইল্ডার বলেছেন, ট্রাম্প ‘প্রেসিডেন্ট সি-কে একটু উসকে দিচ্ছিলেন’, যাতে তাঁকে মার্কিন অস্ত্রের শ্রেষ্ঠত্বের কথা মনে করিয়ে দেওয়া যায়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমনকি রসিকতাও বিপজ্জনক, কারণ তা চীনের সামরিক আগ্রাসনের হুমকিকে প্রেসিডেন্ট কতটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন, তা নিয়ে বিদ্যমান সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

পারডিউ বলেন, ‘আমি যতজনকে দেখেছি, তাঁদের মধ্যে প্রেসিডেন্টকে তাইওয়ানের বিষয়ে যতটা শক্ত অবস্থানে দেখেছি, ততটা আর কাউকে দেখিনি।’ তিনি আরও বলেন, চীনকে সন্তুষ্ট করার জন্য ট্রাম্প ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজটি আটকে রেখেছেন, এমন ধারণা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

"আমরা সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। একপর্যায়ে তিনি প্রেসিডেন্ট সি-কে আসলে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি কি কিছু অস্ত্র কিনতে চান?"

চীনকে সন্তুষ্ট করার জন্য তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ার বিষয়ে পারডিউ কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি শুধু বলেন, এ বিষয়ে আলোচনা ‘চলমান’ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প তাইওয়ানের কাছে রেকর্ড ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিলেন। ইউএস-তাইওয়ান বিজনেস কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, চার বছরে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যে ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিলেন, ট্রাম্পের অনুমোদিত অঙ্ক তার চেয়ে বেশি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), বেইজিং (চীন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডেভিড পারডিউ, সি চিনপিং, জ্যাক কুপার, ডেনিস ওয়াইল্ডার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বিলিয়ন ডলার (অস্ত্র বিক্রি), ১১.১ বিলিয়ন ডলার (তাইওয়ানের জন্য), ৮.৪ বিলিয়ন ডলার (বাইডেনের অনুমোদিত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖