📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি করলেও কিমের বোন কিম ইয়ো-জং তা অস্বীকার করেছেন। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন। তবে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্ব কিম ইয়ো-জং দুই নেতার মধ্যে কোনো গোপন যোগাযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি করেছেন।
- 📌 উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্ব কিম ইয়ো-জং দুই নেতার মধ্যে কোনো গোপন যোগাযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
- 📌 ট্রাম্প দাবি করেছেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫৭টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।
- 📌 আগামী নভেম্বরে চীনের শেনঝেন শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘অ্যাপেক’ শীর্ষ সম্মেলনের সময় দুই নেতার বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন বলে জানিয়েছেন। তবে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্ব কিম ইয়ো-জং দুই নেতার মধ্যে কোনো গোপন যোগাযোগের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুসারে, উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫৭টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।
গত মঙ্গলবার ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, কিমের সঙ্গে তাঁর গোপনে কথাবার্তা চলছে। এর আগে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, মিত্র দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেওয়া কমিয়ে দেবে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প জানান, কিম কথা বলতে রাজি হয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, রাজি আছেন। মার্কিন সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ গত মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায় যে, কিমের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের ব্যবস্থা করতে নিজের কর্মকর্তাদের চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।
আগামী নভেম্বরে চীনের শেনঝেন শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘অ্যাপেক’ শীর্ষ সম্মেলনের সময় দুই নেতার বৈঠক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের চীন সফরের সময় এ বৈঠক হতে পারে। যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মনের ইচ্ছা পূরণ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
"উত্তর কোরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুভাবাপন্ন নীতিতে একটুও পরিবর্তন আসেনি। এমনকি এ মুহূর্তেও যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীরা আমাদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক সামরিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর কোরিয়া, চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিম জং-উন, কিম ইয়ো-জং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!