📌 ইসরায়েলের নির্বাচনে নেটেনিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গাদি আইজেনকট। ট্রাম্পের সাথে নেটেনিয়াহুর দীর্ঘ সম্পর্কের বেলায়, তিনি নির্বাচনের আগে নেটেনিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দেননি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই দূরত্বের পেছনে রয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নেটেনিয়াহুর সাথে তার সম্পর্কের নতুন মাত্রা
ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেটেনিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দেননি। এর পেছনে রয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নেটেনিয়াহুর সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের নতুন মাত্রা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই দূরত্বের পেছনে রয়েছে নির্বাচনের আগে নেটেনিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গাদি আইজেনকট এবং তার নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে নেটেনিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দেননি, যা তাদের দীর্ঘ সম্পর্কের বিরুদ্ধে।
- 📌 ট্রাম্পের সাথে নেটেনিয়াহুর দীর্ঘ সম্পর্কের বেলায়, তিনি নির্বাচনের আগে নেটেনিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দেননি।
- 📌 গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট নেটেনিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যিনি ইসরায়েলের অধিকতর মৃদু নীতি প্রবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
- 📌 বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই দূরত্বের পেছনে রয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নেটেনিয়াহুর সাথে তার সম্পর্কের নতুন মাত্রা।
- 📌 ট্রাম্প বলেছেন, "আমি কোনো নেতিবাচক কথা শুনি না" গাদি আইজেনকটের সম্পর্কে।
📰 বিস্তারিত
২০১৭ সাল থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটেনিয়াহুর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। ট্রাম্পের এই সম্পর্কের ফলে নেটেনিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান মজবুত হয়েছে। তবে, ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে ট্রাম্প নেটেনিয়াহুকে সরাসরি সমর্থন দেননি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই দূরত্বের পেছনে রয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নেটেনিয়াহুর সাথে তার সম্পর্কের নতুন মাত্রা।
আরব সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসির প্রধান ইউসেফ মুনায়্যারের মতে, ট্রাম্পের এই দূরত্বের পেছনে রয়েছে নির্বাচনের আগে নেটেনিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গাদি আইজেনকট এবং তার নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। তিনি বলেছেন, "তিনি (ট্রাম্প) এর চেয়ে বেশি দূরে থাকছেন, যা আপনি আশা করবেন না, ট্রাম্পের অতীত সমর্থন এবং নেটেনিয়াহুর সাথে তার দীর্ঘ সম্পর্কের কথা বিবেচনা করেও।"
২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে, তিনি ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরিত করেন, গোলান হাইটসের ইসরায়েলের অধিগ্রহণ স্বীকৃতি দেন, ২০১৫ সালের ইরানের নিউক্লিয়ার ডিল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করেন এবং আরব দেশগুলির সাথে ইসরায়েলের সাথে নরমালাইজেশন চুক্তি সম্পন্ন করেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া তার দ্বিতীয় মেয়াদে, তিনি ইসরায়েলকে গাজায় গণহত্যা চলাকালীন সর্বাধিক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বিরোধী পদক্ষেপ বাড়ান। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করেন এবং নেটেনিয়াহুর বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলায় তার ক্ষমা চেয়েছেন।
ডিসি ভিত্তিক ডাউন থিংক ট্যাঙ্কের ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন পরিচালক মাইকেল ওমার-ম্যান বলেছেন, "এটি একটি সম্পর্ক যা তারা জনগণের জন্য চিত্রিত করার জন্য সতর্কভাবে পরিচালনা করেছেন। আমরা যা শুনেছি, তা মূলত ট্রাম্পের নিজস্ব পছন্দের কিছু।"
তিনি আরও বলেছেন, "আমি মনে করি ট্রাম্প নেটেনিয়াহুকে ত্যাগ করেননি। কিন্তু তিনি একজন বাস্তববাদী এবং তিনি দেখেছেন যে তার পছন্দের অনেক প্রার্থী বিভিন্ন দেশে নির্বাচনে জয়ী হয়েছে এবং হারিয়েছে।"
গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ইসরায়েলের অধিকতর মৃদু নীতি প্রবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বিশেষত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার বিরুদ্ধে। তবে এই পরিবর্তনগুলি মূলত ইউরোপীয় সরকার এবং বিশ্ব জনমতের মধ্যে ইসরায়েলের অবস্থান উন্নত করার লক্ষ্যে, যা ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে।
"তিনি এর চেয়ে বেশি দূরে থাকছেন, যা আপনি আশা করবেন না, ট্রাম্পের অতীত সমর্থন এবং নেটেনিয়াহুর সাথে তার দীর্ঘ সম্পর্কের কথা বিবেচনা করেও।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনজামিন নেটেনিয়াহু, গাদি আইজেনকট, ইউসেফ মুনায়্যার, মাইকেল ওমার-ম্যান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ (ইসরায়েলের নির্বাচন তারিখ), ২.৪ বিলিয়ন ডলার (গাজার পুনরুদ্ধার প্রকল্প)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!