📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ডের একীকরণকে 'দারুণ ব্যাপার' বলে মন্তব্য করেছেন, যা যুক্তরাজ্য-আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের মুখপাত্র এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ডের একীকরণকে "দারুণ ব্যাপার" বলে মন্তব্য করেছেন, যা যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। গত শনিবার ডাবলিন সফরের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন, যা ব্রিটিশ সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আয়ারল্যান্ডের একীকরণ হবে "ফ্যান্টাস্টিক বা খুবই দারুণ ব্যাপার"।
- 📌 ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাজ্যের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের একীকরণ নিয়ে গণভোটের সম্ভাবনা "আলোচনার বাইরে"।
- 📌 উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধান ইউনিয়নপন্থী দল ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ডিইউপি) নেতা গ্যাভিন রবিনসন বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ডের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেবেন সেখানকার জনগণ, না কোনো বিদেশি নেতা।
- 📌 ট্রাম্পের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ডাবলিনে যুদ্ধবিরোধী ও ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।
- 📌 আল জাজিরার সাংবাদিক জানান, ট্রাম্পের সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা খরচ ও অর্থের ব্যাপারে প্রতিবাদ।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার ডাবলিন সফরের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ডের একীকরণ বিষয়ে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "আমি কোনো সমস্যা তৈরি করতে চাই না, তবে আমি আপনাদের বলব, আমি আয়ারল্যান্ডকে একীভূত দেখতে চাই।" তিনি আরও বলেন, "শেষ পর্যন্ত এটি ঘটবে...আমার মনে হয়, এটি একটি দারুণ ব্যাপার হবে।" ট্রাম্পের এই মন্তব্য ব্রিটিশ সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের মুখপাত্র জানান, যুক্তরাজ্যের অবস্থান পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, "আরেকটি গণভোটের পক্ষে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন রয়েছে, এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই।" তিনি আরও বলেন, "যতক্ষণ পর্যন্ত সেটি পরিবর্তন না হচ্ছে, ততক্ষণ কোনো গণভোট হবে না।" ১৯৯৮ সালের গুড ফ্রাইডে চুক্তি অনুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডের একীকরণ নিয়ে গণভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ব্রিটিশ সরকারের হাতে রয়েছে।
উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রধান ইউনিয়নপন্থী দল ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ডিইউপি) নেতা গ্যাভিন রবিনসন বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ডের ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেবেন সেখানকার জনগণ, না কোনো বিদেশি নেতা। তিনি বলেন, "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অন্যদের চেয়ে ভালোভাবেই জানেন যে নির্বাচনের গুরুত্ব রয়েছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ ঠিক করবেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের জনগণ।"
ট্রাম্পের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ডাবলিনে যুদ্ধবিরোধী ও ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। আল জাজিরার সাংবাদিক মিলেনা ভেসেলিনোভিচ জানান, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা খরচ ও অর্থের ব্যাপারে প্রতিবাদ। তিনি বলেন, "তারা মনে করেন, আইরিশ সরকারের উচিত নয় তাদের ভাষায়, ট্রাম্পের মতো একজন ব্যক্তির জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে দেওয়া।"
"আমি কোনো সমস্যা তৈরি করতে চাই না। তবে আমি আপনাদের বলব, আমি আয়ারল্যান্ডকে একীভূত দেখতে চাই। শেষ পর্যন্ত এটি ঘটবে...আমার মনে হয়, এটি একটি দারুণ ব্যাপার হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডাবলিন (আয়ারল্যান্ড), লন্ডন (যুক্তরাজ্য), উত্তর আয়ারল্যান্ড, ওয়াশিংটন (মার্কিন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, অ্যান্ডি বার্নহাম, মাইকেল মার্টিন, গ্যাভিন রবিনসন, মিলেনা ভেসেলিনোভিচ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৯৮ (গুড ফ্রাইডে চুক্তির বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!