📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি ও ভারতীয় ৬ টেকনোলজি প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। মার্কিন কর্মীদের চাকরি রক্ষা ও জালিয়াতি বন্ধের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য মার্কিন কর্মীদের চাকরি রক্ষা ও জালিয়াতি বন্ধ করা। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি এবং ভারতীয় ৬ টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান — টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস, ইনফোসিস, উইপ্রো, কগনিজ্যান্ট, এইচসিএল টেকনোলজিস ও ক্যাপজেমিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রশাসন মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি ও ভারতীয় ৬ টেকনোলজি প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করেছে
- 📌 এই পদক্ষেপের ফলে ৬ হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করা মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া থমকে গেছে
- 📌 মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতে, মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা ও গ্রিন কার্ডের অপব্যবহার করেছে
- 📌 ২০০৯ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগের চেষ্টা করেছে, যার মধ্যে ২ লাখ ৩০ হাজার এইচ-১বি ভিসা অনুমোদিত
- 📌 মাইক্রোসফটের ৮০ শতাংশ এইচ-১বি আবেদন ছিল বিদ্যমান কর্মীদের চুক্তি বাড়ানোর জন্য, নতুন নিয়োগ নয়
📰 বিস্তারিত
মার্কিন শ্রম বিভাগের ঘোষণার মাধ্যমে এই পদক্ষেপের সূচনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারে বিদেশি কর্মী নির্ভর শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া থমকে গেছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতে, মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা ও গ্রিন কার্ডের অপব্যবহার করেছে। তিনি জানান, গত বছর কোম্পানিটি ৬ হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করার পাশাপাশি ৬ হাজার ৩০০টি এইচ-১বি ভিসা এবং প্রায় ৩ হাজার গ্রিন কার্ডের সুবিধা গ্রহণ করেছে।
মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলা একসময় এইচ-১বি ভিসাধারী ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের চাকরি রক্ষা ও জালিয়াতি বন্ধের উদ্দেশ্যে কাজ করছে। মার্কিন শ্রম বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, স্থায়ী কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ‘পার্ম’ আবেদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মাইক্রোসফট। অধিকাংশ চাকরিভিত্তিক গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য এই ‘পার্ম’ প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়, যেখানে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রমাণ করতে হয় যে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ফলে মার্কিন কর্মীদের বেতন বা চাকরিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
মাইক্রোসফটের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গত অর্থবছরে তারা যে এইচ-১বি আবেদনগুলো জমা দিয়েছিল, তার প্রায় ৮০ শতাংশই ছিল বিদ্যমান কর্মীদের চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে বা মর্যাদা পরিবর্তনের জন্য, নতুন কর্মী নিয়োগের জন্য নয়। এর আগে জুলাই মাসে কোম্পানিটি ৪ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয়, যা তাদের বিশ্বব্যাপী মোট জনবলের প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ।
"দুর্ভাগ্যবশত, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করেনি।"
— মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেডি ভ্যান্স, সত্য নাদেলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ প্রতিষ্ঠান, ৬ হাজার মার্কিন কর্মী, ৬ হাজার ৩০০টি এইচ-১বি ভিসা, ৩ হাজার গ্রিন কার্ড, ৩০ লাখ বিদেশি কর্মী, ২ লাখ ৩০ হাজার এইচ-১বি ভিসা অনুমোদন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!