📌 গ্রিনল্যান্ডে তেল ও খনিজ খনন শুরু হবে বলে ট্রাম্পের দাবি সত্ত্বেও ডেনমার্ক জানিয়েছে, নতুন চুক্তি মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের কোনো বিশেষ সুবিধা দেয়নি। ডেনমার্কের বিদেশ মন্ত্রণালয় বলেছে, খনিজ সম্পদে প্রবেশের ক্ষেত্রে মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের অন্য কোনো দেশের বিনিয়োগকর্তাদের তুলনায় কোনো বিশেষাধিকার নেই
গ্রিনল্যান্ডে তেল ও খনিজ সম্পদ খনন শুরু হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি সত্ত্বেও ডেনমার্ক সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে, নতুন চুক্তি মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করেনি। ডেনমার্কের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১০ পৃষ্ঠার নতুন চুক্তি মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের অন্য কোনো দেশের বিনিয়োগকর্তাদের তুলনায় খনিজ সম্পদে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষাধিকার দেয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে বলেছেন, “গ্রিনল্যান্ড আমাদের নতুন ও সুন্দর গ্রিনল্যান্ড। বিশাল পরিমাণ তেল, গ্যাস ও খনিজ খনন খুব শীঘ্রই শুরু হবে” — তবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
- 📌 ডেনমার্কের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের অন্য কোনো দেশের বিনিয়োগকর্তাদের তুলনায় খনিজ সম্পদে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষাধিকার নেই।
- 📌 গ্রিনল্যান্ড সরকার ২০২১ সালে তেল ও ইউরেনিয়াম খনন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। তবে একটি টেক্সাসভিত্তিক কোম্পানি গ্রিনল্যান্ড এনার্জি ২০২৭ সালে পূর্ব উপকূলের একটি অপরীক্ষিত বেসিনে তেল খনন শুরু করার পরিকল্পনা করেছে।
- 📌 ডেনমার্কের নিরাপত্তা নীতির পরামর্শদাতা জ্যাকব কার্সবো বলেছেন, ট্রাম্পের বক্তব্য থেকে অনুমান করা যায় যে তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা থেকে পিছিয়ে নেননি।
- 📌 ডেনমার্কের আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চার মিকেল ওলেসেন বলেছেন, খনন ও খনিজ খনন সম্পর্কিত তথ্য বেশিরভাগই মার্কিন পক্ষ থেকে আসে, তাই সেগুলোকে “সতর্কতার সাথে” গ্রহণ করতে হবে।
- 📌 ন্যাটো ডিফেন্স কলেজের ফেলো রিচার্ড ওয়েইটস বলেছেন, ট্রাম্প চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রিনল্যান্ডের অধিগ্রহণ পাননি, তবে পিটুফিক স্পেস বেসের আধুনিকীকরণ, দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি এবং গোল্ডেন ডোম মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহ বেশিরভাগ দাবি পূরণ করেছে।
📰 বিস্তারিত
গ্রিনল্যান্ডে তেল ও খনিজ খনন শুরু হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি সত্ত্বেও ডেনমার্কের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন চুক্তি মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের অন্য কোনো দেশের বিনিয়োগকর্তাদের তুলনায় কোনো বিশেষাধিকার প্রদান করেনি। ডেনমার্কের বিদেশ মন্ত্রণালয় বলেছে, “এই চুক্তি মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের অন্য কোনো ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশের বিনিয়োগকর্তাদের তুলনায় খনিজ সম্পদে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষাধিকার দেয়নি।”
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে “আমাদের নতুন ও সুন্দর গ্রিনল্যান্ড” বলে উল্লেখ করেছেন এবং লিখেছেন, “বিশাল পরিমাণ তেল, গ্যাস ও খনিজ খনন খুব শীঘ্রই শুরু হবে”। তবে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা সময়সূচী উল্লেখ করেননি।
২২ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি পিটুফিক স্পেস বেসের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ, দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন এবং ট্রাম্পের “গোল্ডেন ডোম” মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পথ সুগম করেছে। তবে এই চুক্তিতে তেল ও খনিজ খননের জন্য কোনো বিশেষাধিকার বা অনুমতি প্রদান করা হয়নি।
গ্রিনল্যান্ড সরকার ২০২১ সালে তেল ও ইউরেনিয়াম খনন নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। তবে একটি টেক্সাসভিত্তিক কোম্পানি গ্রিনল্যান্ড এনার্জি ২০২৭ সালে গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব উপকূলের একটি অপরীক্ষিত বেসিনে তেল খনন শুরু করার পরিকল্পনা করেছে। কোম্পানির দাবি, তাদের কাছে এই প্রকল্পের জন্য প্রাক্তন অনুমতি রয়েছে। তবে ডেনমার্কের নিরাপত্তা নীতির পরামর্শদাতা জ্যাকব কার্সবো বলেছেন, ট্রাম্পের বক্তব্য থেকে অনুমান করা যায় যে তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা থেকে পিছিয়ে নেননি।
ডেনমার্কের আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চার মিকেল ওলেসেন বলেছেন, খনন ও খনিজ খনন সম্পর্কিত তথ্য বেশিরভাগই মার্কিন পক্ষ থেকে আসে, তাই সেগুলোকে “সতর্কতার সাথে” গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেছেন, খনিজ খনন সম্পর্কিত তথ্য এখনও অজানা এবং মার্কিন পক্ষ থেকে আসা তথ্যগুলোকে “সতর্কতার সাথে” গ্রহণ করতে হবে।
"এই চুক্তি মার্কিন বিনিয়োগকর্তাদের অন্য কোনো ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশের বিনিয়োগকর্তাদের তুলনায় খনিজ সম্পদে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষাধিকার দেয়নি"
"আমাদের নতুন ও সুন্দর গ্রিনল্যান্ড। বিশাল পরিমাণ তেল, গ্যাস ও খনিজ খনন খুব শীঘ্রই শুরু হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড, নিউ ইয়র্ক (ইউএন জেনারেল অ্যাসেম্বলি), পিটুফিক স্পেস বেস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মেটে ফ্রেডেরিকসেন, জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন, জ্যাকব কার্সবো, মিকেল ওলেসেন, রিচার্ড ওয়েইটস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ পৃষ্ঠা (চুক্তি), ২০২১ (গ্রিনল্যান্ডের তেল নিষেধাজ্ঞা), ২০২৭ (তেল খনন পরিকল্পনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!