📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ট্রাম্প রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস নিষেধাজ্ঞা হ্রাস করলেও ইউরোপ কি এখনো মস্কো থেকে গ্যাস কিনছে?

ট্রাম্প রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস নিষেধাজ্ঞা হ্রাস করলেও ইউরোপ কি এখনো মস্কো থেকে গ্যাস কিনছে?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া বিরোধী নিষেধাজ্ঞা হ্রাসের মাধ্যমে মস্কোর অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি করলেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই পদক্ষেপকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য একটি ‘দান’ বলে সমালোচনা করেছেন। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেও, ট্রাম্প ইউরোপের ‘দ্বৈতমূল্য’ সমালোচনা করছেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া বিরোধী নিষেধাজ্ঞা হ্রাসের মাধ্যমে মস্কোর অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি করলেন। তিনি বলেছেন, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় স্বার্থ’ রক্ষায় নেওয়া হয়েছে। আগের মাসে তিনি রাশিয়ার ডিজেল তেলের স্টক গ্লোবাল মার্কেটে নিয়ে আসার চুক্তি ঘোষণা করেছিলেন, যা ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্য হ্রাসের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট রাশিয়ার ডিজেল বিক্রির নিষেধাজ্ঞা ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করেছে। তবে এই পদক্ষেপ ইউক্রেন, ইউরোপীয় দেশসমূহ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কর্মকর্তাকে রাশিয়ার প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখাচ্ছে, যারা মস্কো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান চার বছর ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া বিরোধী নিষেধাজ্ঞা হ্রাসের মাধ্যমে মস্কোর অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রাশিয়ার তেলের দাম কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কমেছে, কারণ এখন তেলের উপর অতিরিক্ত ডিসকাউন্ট প্রয়োজন হবে না।
  • 📌 রাশিয়ার অর্থনীতিতে প্রতি ব্যারেল তেলের ৬০ সেন্টের বেশি লাভ হবে। রাশিয়ার সরকারের এই অতিরিক্ত আয় যুদ্ধে ব্যবহৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
  • 📌 রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত কিরিল দমিত্রিয়েভ ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ‘মহান ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ডন বেয়ার এই পদক্ষেপকে ‘পুতিনের কাছে আত্মসমর্পণ’ বলে সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, এটি ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্বের বিরুদ্ধে এবং কংগ্রেসের স্পষ্ট ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
  • 📌 ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পের ডিজেল চুক্তিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য একটি ‘দান’ বলে সমালোচনা করেছেন।
  • 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনীতির প্রধান ভালদিস ডমব্রভস্কিস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ডিজেল চুক্তি বিশ্ববাজারে তেলের দামে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না।
  • 📌 সেপ্টেম্বর মাসে চীন ও ভারত রাশিয়ার তেলের সর্বোচ্চ ক্রেতা ছিলেন। চীন ৬ বিলিয়ন ইউরো (৬.৭৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ভারত ৩.৬ বিলিয়ন ইউরো (৪.০৪ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের তেল ক্রয় করেছিলেন।

📰 বিস্তারিত

শনিবার, ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে রাশিয়া বিরোধী নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার ঘোষণা দেন। এই আদেশে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করা হয়, যা আগামী দিনগুলিতে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এই নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত ছিল রাশিয়ার পণ্যের উপর ১০০ শতাংশ কর আরোপ এবং রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনার দেশগুলোর উপর শাস্তি আরোপ। এই নিষেধাজ্ঞা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের নামে পাস হওয়া একটি আইন, যিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেন। এই আইনে বলা হয়েছিল যে, রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর উপর ৩০ দিনের মধ্যে শাস্তি আরোপ করা হবে।

রাশিয়ার অর্থনীতিতে এই পদক্ষেপের প্রভাব বিশ্লেষণ করে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ ভাসিলি আস্ত্রভ বলেছেন, রাশিয়ার সরকার এই পদক্ষেপের সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, প্রতি ব্যারেল তেলের ৬০ সেন্টের বেশি অর্থ রাশিয়ার সরকারের জেবে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের ফলে রাশিয়ার প্রধান তেল ও গ্যাস ক্রেতা দেশগুলোরও সুবিধা হবে। চীন ও ভারত এই পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয়করণী শাস্তির ঝুঁকি থেকে মুক্তি পেয়েছে। তবে ট্রাম্পের আশা ছিল, এই পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের তেলের দাম কমে যাবে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনীতির প্রধান ভালদিস ডমব্রভস্কিস বলেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দামে কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে না।

ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৩০০,০০০ টন ডিজেল তেল এখনই আসবে, নভেম্বর মাসে ৫০০,০০০ টন এবং পরে ১ মিলিয়ন টন ডিজেল তেল আসবে। তবে ডমব্রভস্কিস বলেছেন, এই পরিমাণ তেলের বিশ্ববাজারে কোনো প্রভাব পড়বে না। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া এমন পরিমাণ তেল সরবরাহ করতে পারে কিনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ডে এই তেলের গুণগত মান কতটা ভালো, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

"আমাদের জাতীয় স্বার্থের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভলোদিমির জেলেনস্কি, ভ্লাদিমির পুতিন, ভাসিলি আস্ত্রভ, কিরিল দমিত্রিয়েভ, ভালদিস ডমব্রভস্কিস, ডন বেয়ার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০%, ৩০ দিন, ৬০ সেন্ট, ৩০০,০০০ টন, ৫০০,০০০ টন, ১ মিলিয়ন টন, ৬ বিলিয়ন ইউরো, ৬.৭৪ বিলিয়ন ডলার, ৩.৬ বিলিয়ন ইউরো, ৪.০৪ বিলিয়ন ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖