📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩ নভেম্বর নির্বাচনের আগে ডিজেলের দাম কমাতে কর ছাড়ের পথে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। করমুক্ত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি ‘রেড-ডাইড ডিজেল’ সহজলভ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধ ও রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলার কারণে জ্বালানি দামে বেড়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩ নভেম্বর নির্বাচনের আগে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ডিজেলের দাম কমাতে কর ছাড়ের পথে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬ দশমিক ৫০ ডলারে উঠে রেকর্ড গড়েছে, যা ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ব্যয় বাড়িয়ে তুলেছে। সোমবারই একটি নির্বাহী আদেশ জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি, যা করমুক্ত ডিজেলের সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি পদক্ষেপের আওতায় আসবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬.৫০ ডলারে উঠে রেকর্ড গড়েছে, যা ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ব্যয় বাড়িয়েছে
- 📌 প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোমবারই নির্বাহী আদেশ জারি করবেন, যা করমুক্ত ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর পথ খুলবে
- 📌 ‘রেড-ডাইড ডিজেল’ সহজলভ্য করার পাশাপাশি সড়ক-পরিবহন ডিজেলের কর কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধ ও রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা জ্বালানি দামে বেড়ে দিচ্ছে
- 📌 জি৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়ার চুক্তিতে সম্মত হলেও নতুন সরবরাহের পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খরচের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামেও প্রভাব পড়ছে। ইরান-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, যা দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। পাশাপাশি রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের তেল শোধনাগারে হামলার প্রভাবও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের সরবরাহ বাড়াতে তৎপর রয়েছে। তবে গত সপ্তাহে জি৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়ার চুক্তিতে সম্মত হলেও, এর মধ্যে কতটা নতুন সরবরাহ থাকবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হচ্ছে, এর কিছু অংশ আগে থেকেই নির্ধারিত বৈশ্বিক চুক্তির আওতায় ছিল।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘রেড-ডাইড ডিজেল’ আরও সহজলভ্য করা হবে। সাধারণত কৃষিকাজ ও নির্দিষ্ট ধরনের অফ-রোড যানবাহনে এই ডিজেল ব্যবহার করা হয় এবং এর ওপর তুলনামূলক কম কর থাকে। এছাড়াও, সড়কে ব্যবহৃত ডিজেলের ওপর কর কমানো বা মওকুফের উদ্যোগ নিতে পরিবহন বিভাগকে রাজ্যগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হবে। এতে ট্রাক পরিবহনসহ বেশি জ্বালানি ব্যবহারকারী বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমতে পারে।
ডিজেলের দাম বৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান জ্বালানি ডিজেল। ফলে এর দাম বাড়লে পরিবহন খরচের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামেও প্রভাব পড়ে।
"এ বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারির প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প। সোমবারের মধ্যেই আদেশটি ঘোষণা করা হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬.৫০ ডলার (ডিজেলের দাম), ৩ নভেম্বর (নির্বাহী আদেশের তারিখ), ১০ কোটি ব্যারেল (জি৭-এর ডিজেল সরবরাহ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!