📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত অর্থছাড়ের প্রস্তাব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনকে 'ভুয়া' বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং সংবাদমাধ্যমকে প্রতিবেদন প্রত্যাহার করতে বলেছেন। ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি আলোচনার ঘোষণা প্রত্যাহার করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত অর্থছাড়ের প্রস্তাব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনকে তিনি 'ভুয়া' বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং সংবাদমাধ্যমকে প্রতিবেদন প্রত্যাহার করতে বলেছেন। ট্রাম্পের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে যখন নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিরের সাথে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত অর্থছাড়ের প্রস্তাব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন এবং অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনকে 'ভুয়া' বলে আখ্যা দিয়েছেন।
- 📌 ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত মন্তব্যে বলা হয়েছে, 'আমি তাদের কোনো প্রস্তাব দিইনি'।
- 📌 ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও অর্থছাড়ের প্রস্তাব দেওয়ার কথা অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
- 📌 ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যা মেনে নিলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেবে তেহরান।
- 📌 ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আর কোনো সরাসরি বৈঠক নির্ধারিত নেই।
- 📌 ট্রাম্প গত শনিবার ইরানের প্রস্তাব প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছেন, কিন্তু রোববার অ্যাক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আবার আলোচনা শুরু হবে বলে আশাবাদী।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত অর্থছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে ট্রাম্প এ কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, 'অ্যাক্সিওস এইমাত্র একটি খবর প্রকাশ করেছে যে আমি ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও অর্থছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছি। এটি সত্য নয়। আমি তাদের কোনো প্রস্তাব দিইনি।'
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিলে দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দকৃত অর্থছাড় করার প্রস্তাব দেওয়ার কথা ট্রাম্পের। প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করা কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্প প্রতিবেদনকে 'ভুয়া' বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করার দাবি করেছেন।
এই ঘটনা ঘটেছে যখন নিউইয়র্কে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিরের বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিল। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের আর কোনো সরাসরি বৈঠক নির্ধারিত নেই।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যা মেনে নিলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেবে তেহরান। তবে গত শনিবার ট্রাম্প ওই প্রস্তাব প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন। অবশ্য রোববার অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আবার দুই পক্ষের আলোচনা শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদী।
"অ্যাক্সিওস এইমাত্র একটি খবর প্রকাশ করেছে যে ট্রাম্প ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দকৃত অর্থছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। এটি সত্য নয়। আমি তাদের কোনো প্রস্তাব দিইনি।"
"আমি তাদের কোনো প্রস্তাব দিইনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, তেহরান, কাতার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, আব্বাস আরাগচির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (বৈঠক, প্রতিবেদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!