📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে উঠে চীন-মার্কিন অস্ত্র চুক্তির অজানা দাবি: তাইওয়ানকে ১৪ বিলিয়ন ডলার অস্ত্র প্যাকেজের পিছনে কী রহস্য?

ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারে উঠে চীন-মার্কিন অস্ত্র চুক্তির অজানা দাবি: তাইওয়ানকে ১৪ বিলিয়ন ডলার অস্ত্র প্যাকেজের পিছনে কী রহস্য?

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হোয়াইট হাউসে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে কি চীন মার্কিন অস্ত্র কিনতে চায়। তবে মার্কিন সরকার নিশ্চিত করে দিয়েছে, চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই। তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজের বিষয়েও উঠে আসে প্রশ্ন

হোয়াইট হাউসের সাক্ষাৎকারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু প্রকাশ করেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে কি চীন মার্কিন অস্ত্র কিনতে চায়। তবে মার্কিন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনা নেই। এই তথ্য উঠে আসে যখন তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজের বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডোনাল্ড ট্রাম্প শি জিনপিংকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে কি চীন মার্কিন অস্ত্র কিনতে চায় — মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু ফক্স নিউজে জানান
  • 📌 মার্কিন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই — হোয়াইট হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর
  • 📌 তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে — ট্রাম্প মে মাসে এই প্যাকেজ স্থগিত রাখার কথা বলেছিলেন
  • 📌 চীন তাইওয়ানকে নিজেদের প্রদেশ হিসেবে দাবি করে এবং সামরিক হুমকি বাড়িয়ে চলেছে — তাইওয়ানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী চেন মিং-চি সতর্কতা জানান
  • 📌 ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চীনের অস্ত্র আমদানি ৭২ শতাংশ কমেছে — স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য

📰 বিস্তারিত

গত সপ্তাহে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আতিথেয়তা দেওয়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু ফক্স নিউজকে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। একপর্যায়ে তিনি প্রেসিডেন্ট শিকে সরাসরি জিজ্ঞেসও করেছিলেন, তিনি কিছু অস্ত্র কিনতে চান কি না।’

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ওয়াশিংটনে শির সফরের সময় ট্রাম্প যে ‘অসাধারণ মাত্রার সৌজন্য’ দেখিয়েছেন, তার প্রশংসা করে। তবে তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের এই দাবি সামনে আসে। গত বছরের ডিসেম্বরে তাইওয়ানের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের রেকর্ড অস্ত্র বিক্রির চুক্তি ঘোষণার পর নতুন এই ১৪ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজের কথা সামনে এসেছে।

মে মাসে বেইজিংয়ে শির সঙ্গে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি তাইওয়ানের জন্য ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজটি স্থগিত রেখেছেন। চীনের সঙ্গে আলোচনায় এটিকে তিনি ‘খুব ভালো দর-কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। চীনের হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে রক্ষা করবে কি না, এ বিষয়ে ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত অস্পষ্ট অবস্থান বজায় রেখে আসছে। তবে তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট অনুযায়ী, তাইপেকে আত্মরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের থেকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে, যদিও কখনোই এটি শাসন করেনি। তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের পথও চীন এখনো পরিত্যাগ করেনি। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে শি তাকে ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতার’ বিরোধিতা করার আহ্বান জানান বলে চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রকাশিত বৈঠকের বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

"আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। একপর্যায়ে তিনি প্রেসিডেন্ট শিকে সরাসরি জিজ্ঞেসও করেছিলেন, তিনি কিছু অস্ত্র কিনতে চান কি না।"

সাক্ষাৎকারের পর হোয়াইট হাউস নিউইয়র্ক টাইমসকে জানায়, চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। আর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ‘মার্কিন আইন চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রি নিষিদ্ধ করে এবং চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনা নেই।’

তাইওয়ানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী চেন মিং-চি চীনের সামরিক হুমকির ভয়াবহতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘তাইওয়ান প্রণালিতে তাইওয়ান একটি কঠিন পরিস্থিতির মুখে রয়েছে। চীনের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়লেও সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে দেশটি আরও বেশি সম্পদ বিনিয়োগ করে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের প্রতিরক্ষা প্রয়োজনীয়তা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হোয়াইট হাউস (যুক্তরাষ্ট্র), ওয়াশিংটন, বেইজিং, তাইওয়ান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, শি জিনপিং, ডেভিড পারডু, চেন মিং-চি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বিলিয়ন ডলার (অস্ত্র প্যাকেজ), ১০ বিলিয়ন ডলার (তাইওয়ানের পূর্বের চুক্তি), ৭২ শতাংশ (চীনের অস্ত্র আমদানি কমে গেছে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖