📌 মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়ার পরিস্থিতিতে হুতিদের ওপর মার্কিন হামলা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে হামলা বাতিল করেন। সৌদি আরবের অনুরোধে এবং হুতিদের সাথে কথাবার্তা বজায় রাখার দাবির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের পরিধি বাড়ার সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের ওপর সামরিক হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে দেন। শেষ মুহূর্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে ছিল সৌদি আরবের অনুরোধ এবং হুতিদের সাথে মার্কিন বাহিনীর সংঘর্ষ এড়ানোর চেষ্টা। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও অভিযান সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন জানিয়েছে, হুতিদের ওপর হামলা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু যুদ্ধবিমানে বোমা তোলার কাজ চলাকালীন তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হুতিদের ওপর মার্কিন হামলা বাতিল**: ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে হামলা বাতিল করেন। যুদ্ধবিমানে বোমা তোলার কাজ চলাকালীন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- 📌 **সৌদি আরবের অনুরোধ**: সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন এবং হুতিদের ওপর হামলা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।
- 📌 **হুতিদের হুমকি বাড়ছে**: ইয়েমেনে হুতিরা সৌদি আরব ও লোহিত সাগরের কৌশলগত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে। বাব আল-মানদেব প্রণালি ও রিয়াদসহ সৌদি স্থাপনাগুলো তাদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 **ট্রাম্পের দাবি**: ১২ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ড সফরে তিনি বলেছিলেন, হুতিরা মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করতে চায় না। তারা মার্কিন হস্তক্ষেপ এড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
- 📌 **ইয়েমেনের সরকারের আবেদন**: ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারের প্রেসিডেন্ট রশিদুল আল-আলিমি ট্রাম্পের কাছে সামরিক সহায়তার আবেদন জানান। তবে ট্রাম্প কোনো সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেননি।
📰 বিস্তারিত
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে পড়ছে। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরব ও লোহিত সাগরের কৌশলগত এলাকায় তাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে চলেছে। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র সৌদি আরব সরাসরি মার্কিন সামরিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে হুতিদের ওপর হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি এই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে দেন।
মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প হুতিদের ওপর হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। পেন্টাগনকে নির্দেশ দেওয়া হয় সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য। যুদ্ধবিমানে বোমা তোলার কাজ চলাকালীন এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের জানানো হয়, তিনি হুতিদের ওপর হামলার পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে হামলা বাতিল করেন।
১২ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ড সফরে ট্রাম্প বলেছিলেন, হুতিরা মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করতে চায় না। তারা মার্কিন হস্তক্ষেপ এড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তবে সৌদি আরবের অনুরোধ এবং হুতিদের সাথে কথাবার্তা বজায় রাখার চেষ্টায় ট্রাম্প হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারের প্রেসিডেন্ট রশিদুল আল-আলিমি ট্রাম্পের কাছে সামরিক সহায়তার আবেদন জানান। তবে ট্রাম্প কোনো সরাসরি প্রতিশ্রুতি দেননি।
"হুতিরা আমাদের ফোন করে জানিয়েছে, তারা আমাদের সঙ্গে লড়াই করতে চায় না। তারা চায় না যে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মধ্যপ্রাচ্য (ইয়েমেন, সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মোহাম্মদ বিন সালমান, রশিদুল আল-আলিমি, হুতিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!