📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফটসহ আটটি ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী শ্রম সার্টিফিকেশন (পিইআরএম) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে। এই পদক্ষেপে হাজার হাজার ভারতীয় প্রযুক্তি পেশাজীবী স্থায়ী বসবাসের পথ হারাতে পারে
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফট, টাটা, উইপ্রো, ইনফোসিসসহ আটটি ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী শ্রম সার্টিফিকেশন (পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন/পিইআরএম) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তে হাজার হাজার ভারতীয় প্রযুক্তি পেশাজীবী স্থায়ী বসবাসের পথ হারাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফটসহ আটটি ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পিইআরএম প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে।
- 📌 এই পদক্ষেপে হাজার হাজার ভারতীয় প্রযুক্তি কর্মী স্থায়ী বসবাসের পথ হারাতে পারে, কারণ তারা গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য পিইআরএম প্রক্রিয়ায় নির্ভরশীল।
- 📌 মার্কিন সরকার জানিয়েছে, নিষিদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো নতুন পিইআরএম আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং আগের পেন্ডিং আবেদনও প্রক্রিয়াজাত করা হবে না।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ৫২ লাখের বেশি।
- 📌 পিইআরএম প্রোগ্রামটি ২০০৫ সালে চালু করা হয়েছিল, যা কাগজভিত্তিক ‘এলিয়েন এমপ্লয়মেন্ট সার্টিফিকেশন’ প্রক্রিয়ার দীর্ঘ সময় কমিয়ে আনতে সাহায্য করেছিল।
- 📌 ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের দাবি, কোম্পানিগুলো পিইআরএম প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মার্কিন কর্মীদের স্থলাভিষিক্ত করছে এবং তাদের মজুরি কমিয়ে দিচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি ভিসায় কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে নজরদারি জোরদার করার অংশ হিসেবে মাইক্রোসফটসহ আটটি ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী শ্রম সার্টিফিকেশন (পিইআরএম) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার ভারতীয় প্রযুক্তি পেশাজীবী স্থায়ী বসবাসের পথ হারাতে পারে। কারণ, তারা এইচ-১বি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য এমপ্লয়ার-স্পন্সরড গ্রিন কার্ডের ওপর নির্ভর করে থাকেন।
পিইআরএম প্রোগ্রামটি মার্কিন শ্রম বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি, যেখানে যোগ্য মার্কিন নিয়োগকর্তারা বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বাসস্থানের জন্য স্পন্সর করার অনুমতি পায়। এই প্রক্রিয়ায় শ্রম বিভাগকে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসকে সার্টিফিকেট দিতে হয় যে, নির্দিষ্ট চাকরির সুযোগের জন্য পর্যাপ্ত যোগ্য ও দক্ষ মার্কিন কর্মী নেই এবং বিদেশি কর্মীকে নিয়োগ দিলে একইভাবে নিযুক্ত আমেরিকানদের মজুরি ও কর্মপরিবেশ প্রভাবিত হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বর্তমান এইচ-১বি ভিসা ধারীরা সরাসরি প্রভাবিত হবেন না, তবে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য পিইআরএম এবং পারিবারিক মাধ্যমগুলোর বাইরে বিদেশি কর্মীদের কাছে নিজস্ব উদ্যোগে গ্রিন কার্ডের আবেদন করার পথ খোলা থাকে, যেমন—অসাধারণ প্রতিভাধর ব্যক্তিদের জন্য ইবি-১এ বা ইবি-২ ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েভার আবেদন। তবে বিশাল ব্যাকলগ এবং বরাদ্দের ঘাটতির কারণে এসব আবেদন প্রক্রিয়াজাত হতে বছর পার হয়ে যেতে পারে।
মার্কিন সেন্সাস ডাটাভিত্তিক সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ৫২ লাখের বেশি। এই পদক্ষেপটি ভিসার ওপর চলমান কড়াকড়ির পরিধি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ভিসার কারণে মার্কিনদের চাকরি হারাতে হচ্ছে। নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছাড়াই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, কোম্পানিগুলো আমেরিকান কর্মীদের স্থলাভিষিক্ত করতে এবং তাদের মজুরি কমিয়ে দিতে পিইআরএম প্রোগ্রাম ব্যবহার করছে।
"মাইক্রোসফটের প্রতি আমাদের বার্তা হলো— আপনারা একটি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেডি ভ্যান্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ লাখ (ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বাসিন্দা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!