📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছেন সাবেক সেনা চিকিৎসক নিদাল হাসানের বিরুদ্ধে। ২০০৯ সালে ফোর্ট হুডে ১৩ জনের হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে এটি মার্কিন সামরিক ইতিহাসে প্রথম ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড। ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছেন সাবেক মার্কিন সেনা চিকিৎসক নিদাল হাসানের বিরুদ্ধে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জনের হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেলের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সুপারিশের পর ট্রাম্প এই পদ্ধতি অনুমোদন করেছেন। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন সেনাবাহিনীর সচিব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছেন।
- 📌 ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুডে হাসান ১২ জন সক্রিয় সেনা ও ১ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকে হত্যা করে।
- 📌 হাসান হামলার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার করেছিলেন এবং দাবি করেছিলেন, মুসলিম বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রতিশোধ নিতে তিনি হামলা চালিয়েছিলেন।
- 📌 ২০১৩ সালে সামরিক আদালত হাসানকে ৪৫টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল।
- 📌 মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে এটি ১৯৬১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সামরিক মৃত্যুদণ্ড।
- 📌 ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুডের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে বন্দুক হামলায় ১৩ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় ১২ জন সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনাসদস্য ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নিহত হন। আহত হন আরও ৩২ জন। হাসান হামলার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চিৎকার করেছিলেন। পরে তিনি দাবি করেন, মুসলিম বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রতিশোধ নিতে তিনি হামলা চালিয়েছিলেন।
২০১৩ সালের আগস্টে সামরিক আদালত হাসানকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার ৪৫টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। হাসান গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের গুলিতে আংশিকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন এবং পরবর্তীতে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদিত পদ্ধতির তালিকায় ফায়ারিং স্কোয়াডের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক চেয়ার ও গ্যাস প্রয়োগের মতো পদ্ধতিও যুক্ত করেছে। প্রাণঘাতী ইনজেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহে ক্রমবর্ধমান সমস্যার কারণে এই বিকল্প পদ্ধতির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীতে ফায়ারিং স্কোয়াডে সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল ১৯৪৫ সালের নভেম্বরে। সামরিক মৃত্যুদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত বিরল। দেশটির ইউনিফর্ম কোড অব মিলিটারি জাস্টিস অনুযায়ী, সামরিক আদালতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড প্রেসিডেন্টের অনুমোদন ছাড়া কার্যকর করা যায় না।
মৃত্যুদণ্ডবিরোধী সংগঠন ডেথ পেনাল্টি অ্যাকশন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্টের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষমতার ব্যবহারকে আরও জোরালো করে তুলছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান রয়েছে।
"প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সুপারিশের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে ফায়ারিং স্কোয়াড অনুমোদন করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র; ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, নিদাল হাসান, পিট হেগসেথ, শন পারনেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ জন (হতাহত), ১২ জন (সক্রিয় সেনা), ১ জন (অবসরপ্রাপ্ত সেনা), ৩২ জন (আহত), ৪৫টি (অভিযোগ), ২০ জন (ইউক্রেনে নিহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!