📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি উইলিসকে সরিয়ে দিয়েছেন এবং তার জায়গায় কট্টর অভিবাসনবিরোধী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই পদে মিলারের নিয়োগ ডেমোক্র্যাটদের তদন্তের আশঙ্কা তৈরি করেছে, যারা আগামী কংগ্রেসে মিলারের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করতে পারবে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি উইলিসকে সরিয়ে দিয়েছেন এবং তার জায়গায় অভিবাসন ইস্যুতে কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই পদে মিলারের নিয়োগ ট্রাম্পের আগের অবস্থানের প্রতি তার অটলতা প্রকাশ করে, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পরও অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডোনাল্ড ট্রাম্প সুসি উইলিসকে সরিয়ে দিয়েছেন এবং তার জায়গায় স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
- 📌 ৪১ বছর বয়সী মিলার ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা এবং অভিবাসন নীতিতে কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত।
- 📌 ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনে মিলারের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করতে পারে।
- 📌 মিলার ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
- 📌 আগামী সোমবার থেকে মিলার চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি উইলিসকে সরিয়ে দিয়েছেন। তার জায়গায় ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা এবং অভিবাসন ইস্যুতে কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দিয়েছেন। ট্রাম্পের বিতর্কিত নীতিগুলো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে মিলারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর মিলারের এই নিয়োগ ইঙ্গিত দিচ্ছে, ট্রাম্প এখনো তাঁর আগের অবস্থানে অটল আছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। ফলে তারা ট্রাম্প প্রশাসনে মিলার ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করতে পারবে। আগামী বছরের জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের যাত্রা শুরু হবে।
৪১ বছর বয়সী মিলার ট্রাম্পের অন্যতম কট্টর সমর্থক। তিনি বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়নের অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত। ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় রক্ষণশীল ছাত্রসংগঠন ডিউক কনজারভেটিভ ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেন মিলার। সে সময় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থী পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।
মিলার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন চিফ অব স্টাফ মিলারকে তাঁর ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন’ বলে উল্লেখ করেছেন। শুরু থেকেই রক্ষণশীল রাজনীতি ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হওয়ার অনেক আগেই রক্ষণশীল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন স্টিফেন মিলার। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান্তা মনিকা হাইস্কুলে পড়তেন মিলার। সে সময় স্থানীয় বেতার অনুষ্ঠানে স্কুলের উদারপন্থী নীতির সমালোচনা করতেন তিনি।
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্প যখন আবার রাজনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন, তখনো তাঁর পাশে ছিলেন মিলার। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প আবার হোয়াইট হাউসে ফেরার পর মিলারকে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ফর পলিসি ও জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
"আমার মনে হয়, শুরু থেকেই তাঁদের দুজনের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া ছিল। ট্রাম্পকে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য সাজাতে সহায়তা করেছিলেন মিলার।"
— ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন, ২০১৭ সালে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন ডিসি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্টিফেন মিলার, সুসি উইলিস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ বছর (মিলারের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!