📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডটার্ম নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেন, এআই ডেটা সেন্টারগুলোকে স্থানীয় সম্প্রদায় ও ব্যক্তিদের ‘লাভ ডিভিডেন্ড’ প্রদান করতে হবে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক চুক্তি করে ডেটা সেন্টারগুলো জনপ্রিয়তা পায়। তবে গবেষণায় দেখা যায়, ৭১-৭২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তাদের এলাকায় এ ধরনের সেন্টার স্থাপনের বিরোধিতা করছেন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডটার্ম নির্বাচনের আগে একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, এআই ডেটা সেন্টারগুলোকে স্থানীয় সম্প্রদায় ও ব্যক্তিদের ‘লাভ ডিভিডেন্ড’ প্রদান করতে হবে। এই ঘোষণা তিনি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্লাটফর্মে একটি পোস্টের মাধ্যমে দিয়েছেন। ট্রাম্পের মতে, যদি কোম্পানিগুলো ডেটা সেন্টারগুলোকে জনপ্রিয় করতে চায়, তাহলে তারা সম্প্রদায় বা এলাকার বাসিন্দাদের অর্থ প্রদান করতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডটার্ম নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেন, এআই ডেটা সেন্টারগুলোকে স্থানীয় সম্প্রদায় ও ব্যক্তিদের ‘লাভ ডিভিডেন্ড’ প্রদান করতে হবে।
- 📌 তিনি বলেন, ‘যদি কোম্পানিগুলো সম্প্রদায় বা এলাকার বাসিন্দাদের অর্থ প্রদান করে, তাহলে ডেটা সেন্টারগুলো জনপ্রিয়তা পায়’।
- 📌 গবেষণায় দেখা যায়, ৭১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তাদের এলাকায় এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনের বিরোধিতা করছেন।
- 📌 গত আগস্টে ট্রাম্প ডেটা সেন্টারকে ‘ডেটা রেইন’ বলে সমর্থন জানিয়েছিলেন, বলেছিলেন ‘পিছিয়ে পড়ার জন্য নয়, এগিয়ে যাওয়ার জন্য’।
- 📌 ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী ক্ষতি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডটার্ম নির্বাচনের আগে একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, এআই ডেটা সেন্টারগুলোকে স্থানীয় সম্প্রদায় ও ব্যক্তিদের ‘লাভ ডিভিডেন্ড’ প্রদান করতে হবে। এই ঘোষণা তিনি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্লাটফর্মে একটি পোস্টের মাধ্যমে দিয়েছেন। ট্রাম্পের মতে, যদি কোম্পানিগুলো ডেটা সেন্টারগুলোকে জনপ্রিয় করতে চায়, তাহলে তারা সম্প্রদায় বা এলাকার বাসিন্দাদের অর্থ প্রদান করতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমি এই প্রক্রিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। এমন এলাকায় যেখানে ডেটা সেন্টারগুলো অত্যন্ত অপ্রিয় ছিল, অর্থনৈতিক চুক্তি করার পর তা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে’।
গত আগস্টে ট্রাম্প ডেটা সেন্টারকে ‘ডেটা রেইন’ বলে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘একমাত্র কারণ হলো যদি সম্প্রদায়গুলো পিছিয়ে পড়তে চায়। কিন্তু যদি তারা এগিয়ে যেতে চায়, তাহলে তারা কম কর্তন, বেশি চাকরি এবং সর্বত্র কর্মসংস্থান পাবে’। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী ক্ষতি কাটিয়ে উঠার চেষ্টা। তিনি গত বছর একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন, যা ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য অনুমোদন ও পরিবেশগত পর্যালোচনা ত্বরান্বিত করার কথা বলেছিল।
বিপক্ষীয় গবেষণায় দেখা যায়, ৭১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তাদের এলাকায় এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনের বিরোধিতা করছেন। গত মার্চে গ্যালাপ পোলে এই তথ্য পাওয়া যায়। আর গত রবিবার প্রকাশিত একটি পোলে দেখা যায়, ৭২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক নতুন ডেটা সেন্টার স্থাপনের বিরোধিতা করছেন।
"যদি কোম্পানিগুলো সম্প্রদায় বা এলাকার বাসিন্দাদের অর্থ প্রদান করে, তাহলে ডেটা সেন্টারগুলো জনপ্রিয়তা পায়। অর্থনৈতিক চুক্তি করার পর এমন এলাকায় যেখানে ডেটা সেন্টারগুলো অত্যন্ত অপ্রিয় ছিল, তা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওহিও, টেক্সাস, মিশিগান, আইওয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রিপাবলিকান সিনেটর কেন প্যাক্সটন, মাইক রজার্স, জন হাস্টেড, ক্যালিফোর্নিয়া গভর্নর গভ. নিউসম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১ শতাংশ, ৭২ শতাংশ, ৩টি পোল, ১টি নির্বাহী আদেশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!