📌 বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্ররাশিয়া-সমর্থিত নেতা মিলোরাদ ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই নিকটস্থ রাজনৈতিক কর্মকর্তা কাজ করেছেন। তাদের কাজের প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। ডোডিকের সিএনএসডি দল বসনিয়ার সার্ব-প্রধানত্ববাহী অঞ্চল রেপাবলিকা সার্পস্কায় ৫৫% ভোট পেয়ে জয়ের দাবি করেছে
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্ররাশিয়া-সমর্থিত নেতা মিলোরাদ ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই নিকটস্থ রাজনৈতিক কর্মকর্তা — জেমস ব্লেয়ার এবং ক্রিস লাসিভিটা — কাজ করেছেন। তাদের এই কাজের প্রকৃতি নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। ডোডিকের সাথে এই দুই কর্মকর্তা সাক্ষাতের সময় তারা কী পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং কীভাবে অর্থপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই নিকটস্থ রাজনৈতিক কর্মকর্তা — জেমস ব্লেয়ার (ট্রাম্পের মেইজর ফান্ডিং সংস্থা ম্যাগা ইনকর পরিচালক) এবং ক্রিস লাসিভিটা (ট্রাম্পের সিনিয়র উপদেষ্টা) — বসনিয়ার প্ররাশিয়া-সমর্থিত নেতা মিলোরাদ ডোডিকের সাথে সাক্ষাত করেছেন এবং তাদের পরামর্শের বিনিময়ে হাজার হাজার ডলার পেয়েছেন।
- 📌 ডোডিকের নেতৃত্বাধীন সার্বীয় গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক পার্টি (এসএনএসডি) বসনিয়ার সার্ব-প্রধানত্ববাহী অঞ্চল রেপাবলিকা সার্পস্কার regional নির্বাচনে ৫৫% ভোট পেয়ে জয়ের দাবি করেছে।
- 📌 ডোডিকের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, কারণ তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি দূত ক্রিশ্চিয়ান শ্মিটের আদেশ মানতে অস্বীকার করেছিলেন। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এবং জিতেছিলেন।
- 📌 ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের এই দুই কর্মকর্তার কাজের বিনিময়ে রেপাবলিকা সার্পস্কা সরকার ২০২৫ সাল থেকে শুরু করে ৪ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অর্থ খরচ করেছে।
- 📌 ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্পর্কের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য — ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি রেপাবলিকা সার্পস্কার নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং রাশিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
📰 বিস্তারিত
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্ররাশিয়া-সমর্থিত নেতা মিলোরাদ ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই নিকটস্থ রাজনৈতিক কর্মকর্তা — জেমস ব্লেয়ার এবং ক্রিস লাসিভিটা — কাজ করেছেন। তাদের এই কাজের প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই দুই কর্মকর্তা ডোডিকের সাথে সাক্ষাত করেছেন এবং তাদের পরামর্শের বিনিময়ে হাজার হাজার ডলার পেয়েছেন।
ডোডিকের সাথে এই দুই কর্মকর্তার সাক্ষাতের সময় তারা কী পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং কীভাবে অর্থপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জেমস ব্লেয়ার বর্তমানে ট্রাম্পের মেইজর ফান্ডিং সংস্থা ম্যাগা ইনকর পরিচালক এবং ক্রিস লাসিভিটা ট্রাম্পের সিনিয়র উপদেষ্টা। তারা এই সাক্ষাতের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ডোডিকের নেতৃত্বাধীন সার্বীয় গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক পার্টি (এসএনএসডি) বসনিয়ার সার্ব-প্রধানত্ববাহী অঞ্চল রেপাবলিকা সার্পস্কার regional নির্বাচনে ৫৫% ভোট পেয়ে জয়ের দাবি করেছে। ডোডিকের এই জয়ের পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের এই দুই কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ডোডিকের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, কারণ তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি দূত ক্রিশ্চিয়ান শ্মিটের আদেশ মানতে অস্বীকার করেছিলেন। তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক বছরের কারাদণ্ড পেয়েছিলেন এবং ছয় বছর রাজনৈতিক পদ থেকে নিষিদ্ধ হন। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এবং জিতেছিলেন।
ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্পর্কের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য — ১৯৯৫ সালের ডেয়টন শান্তি চুক্তির মাধ্যমে বসনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সেই সময় ডোডিককে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত মেডেলিন আলব্রাইট "বলকান অঞ্চলে তাজা বাতাস" বলে বর্ণনা করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক ভেঙ্গে রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েন।
"breath of fresh air"
ডোডিকের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন সম্পর্কের বিষয়ে রিপাবলিকান পার্টির সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলেছেন, "আমরা এমন কিছু দেখতে পাচ্ছি না যা বলে দিতে পারে যে, ‘এইভাবে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে তাকে এবং তার জন্য তিনি নির্বাচনে জিতেছেন’। ডোডিকের ভাষণ পরিবর্তিত হয়নি। এটি MAGA ভাষণের মতোই ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা (রেপাবলিকা সার্পস্কা), মস্কো (রাশিয়া), ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র), নিউ ইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলোরাদ ডোডিক, জেমস ব্লেয়ার, ক্রিস লাসিভিটা, ক্রিশ্চিয়ান শ্মিট, মেডেলিন আলব্রাইট, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫% (ভোট), ৪ মিলিয়ন ডলার (লবিং খরচ), ২৯ সেপ্টেম্বর (ডোডিক-পুতিন সাক্ষাত), ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর (নির্বাচন তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!