📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইতিহাসের সর্বোচ্চ গতিতে অন্তত ৩ লাখ ভিসা বাতিল করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান মেয়াদে এই সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এই পদক্ষেপগুলো বাকস্বাধীনতা ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ইতিহাসের সর্বোচ্চ গতিতে অন্তত ৩ লাখ ভিসা বাতিল করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে, ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই ভিসা বাতিলের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩ লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল**: ট্রাম্প প্রশাসন ইতিহাসের যে কোনো প্রশাসনের তুলনায় দ্রুততম গতিতে এই সংখ্যক ভিসা বাতিল করেছে।
- 📌 **১০ আগস্টের তুলনায় ১.২৫ লাখ বেশি বাতিল**: আগস্টের ১০ তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ভিসা বাতিল করা হয়েছিল।
- 📌 **জাতীয় নিরাপত্তা নীতি**: প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে, আইন ভঙ্গকারী, প্রতারণাকারী বা জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে বিবেচিত বিদেশিদের ভিসা বাতিল করে চলেছে।
- 📌 **বাকস্বাধীনতার আক্রমণ**: মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, গাজার ইসরায়েল হামলা প্রতিবাদকারী ফিলিস্তিনপন্থী ও চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যকারী বিদেশিদের ভিসা বাতিলের মাধ্যমে বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।
- 📌 **সামাজিক মাধ্যম নজরদারি**: ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসী ও ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করেছে।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, “ট্রাম্প প্রশাসন ইতিহাসের যে কোনো প্রশাসনের তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে আরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে।” তিনি আরও বলেছেন, “এখানে অবস্থানরত বিদেশিরা যদি আইন ভঙ্গ করে, প্রতারণা করে অথবা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় তবে তাদের ক্ষেত্রে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।”
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিবাসন সংক্রান্ত কঠোর পদক্ষেপ ও অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের লক্ষ্য হল ‘অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা’। তবে মানবাধিকার কর্মীরা এই পদক্ষেপগুলো যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, এই দমনাভিযান বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য একটি অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে।
বিশেষ করে, গাজায় ইসরায়েলের বর্বর হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদরত ফিলিস্তিনপন্থী বিদেশি বিক্ষোভকারী এবং চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করা বিদেশিদের ভিসা বাতিলের ঘটনাগুলো মানবাধিকার কর্মীদের নিন্দার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই পদক্ষেপগুলো বাকস্বাধীনতার অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে লক্ষ্যস্থল করা হচ্ছে।
"ট্রাম্প প্রশাসন ইতিহাসের যে কোনো প্রশাসনের তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে আরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে।"
"এখানে অবস্থানরত বিদেশিরা যদি আইন ভঙ্গ করে, প্রতারণা করে অথবা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় তবে তাদের ক্ষেত্রে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডনাল্ড ট্রাম্প, টমি পিগট, মানবাধিকার কর্মীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ভিসা বাতিল, ১ লাখ ৭৫ হাজার (১০ আগস্টের তথ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!