📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ আদালতকে অনুরোধ করেছে যে, একটি জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালেস্টাইন সমর্থক শিক্ষককে মুক্তি দেওয়ার আদেশ রদ করুন। শিক্ষককে মুক্তি দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসন যুক্তি দিচ্ছে যে, নিম্ন আদালতের বিচারকদের হাতে অভিবাসন বিষয়ক ক্ষমতা নেই
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সর্বোচ্চ আদালতকে অনুরোধ করেছে যে, একটি জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালেস্টাইন সমর্থক শিক্ষককে মুক্তি দেওয়ার আদেশ রদ করুন। এই শিক্ষককে তার সমাজসেবামূলক কাজের জন্য অভিযুক্ত করে ২০২৫ সালের মার্চে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শিক্ষককে মুক্তি দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসন যুক্তি দিচ্ছে যে, নিম্ন আদালতের বিচারকদের হাতে অভিবাসন বিষয়ক ক্ষমতা নেই এবং এই রায়টি জাতীয় অভিবাসন ব্যবস্থাকে বিপদে ফেলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাখ্যা করা হয়েছে: জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাদর খান সুরি (ভারতীয় নাগরিক)কে ২০২৫ সালের মার্চে তার বাড়ি থেকে মাস্কযুক্ত আইসিই (আইসিই) কর্মকর্তারা গ্রেফতার করেছিলেন। তার স্ত্রী আহমেদ ইউসুফের (হামাসের প্রাক্তন রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়েহের কন্যা) সাথে সম্পর্কের কারণে প্রশাসন তাকে লক্ষ্য করেছিল।
- 📌 মুক্তি আদেশ: ২০২৫ সালের মে মাসে একটি নিম্ন আদালতের বিচারক তার মুক্তি আদেশ দিয়েছিলেন। বিচারক বলেছিলেন যে, তার গ্রেফতার ছিল প্রতিবাদমূলক বক্তব্যের প্রতিশোধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন।
- 📌 সর্বোচ্চ আদালতের আবেদন: ডিজি জো সাউয়ার (সোলিসিটর জেনারেল) বলেছেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের হাতে অভিবাসন বিষয়ক ক্ষমতা থাকা জাতীয় অভিবাসন ব্যবস্থাকে বিপদে ফেলবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, চতুর্থ কোর্ট অব অ্যাপিলস (ভির্জিনিয়া ভিত্তিক) ২০২৬ সালের জুলাইয়ে একটি ২-১ রায়ে বলেছে যে, নিম্ন আদালতের বিচারকরা অভিবাসন বিষয়ক মামলায় বিচার করতে পারেন।
- 📌 বিপরীত রায়ের উদাহরণ: তৃতীয় কোর্ট অব অ্যাপিলস (জানুয়ারি ২০২৬) একটি রায় দিয়েছিল যে, নিম্ন আদালতের বিচারকরা অভিবাসন বিষয়ক মামলায় বিচার করতে পারবেন না যখন অভিবাসন আদালতের মামলা চলছে। এই রায়ের ফলে মহমুদ খালিল (কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র) ১০০ দিনের বেশি আইসিই কারাগারে থাকার পর মুক্তি পান।
📰 বিস্তারিত
বাদর খান সুরিকে ২০২৫ সালের মার্চে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার স্ত্রী আহমেদ ইউসুফের সাথে সম্পর্কের কারণে প্রশাসন তাকে লক্ষ্য করেছিল। ইউসুফের বাবা ইসমাইল হানিয়েহ (হামাসের প্রাক্তন রাজনৈতিক নেতা)কে ২০২৪ সালে ইসরায়েল কর্তৃক হত্যা করা হয়েছিল।
২০২৫ সালের মে মাসে, একটি নিম্ন আদালতের বিচারক তার মুক্তি আদেশ দিয়েছিলেন। বিচারক বলেছিলেন যে, তার গ্রেফতার ছিল প্রতিবাদমূলক বক্তব্যের প্রতিশোধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন। এই রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ আদালতকে আবেদন করেছে।
সোলিসিটর জেনারেল ডিজি জো সাউয়ার বলেছেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের হাতে অভিবাসন বিষয়ক ক্ষমতা থাকা জাতীয় অভিবাসন ব্যবস্থাকে বিপদে ফেলবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, চতুর্থ কোর্ট অব অ্যাপিলস (ভির্জিনিয়া ভিত্তিক) ২০২৬ সালের জুলাইয়ে একটি ২-১ রায়ে বলেছে যে, নিম্ন আদালতের বিচারকরা অভিবাসন বিষয়ক মামলায় বিচার করতে পারেন।
বিপরীতভাবে, তৃতীয় কোর্ট অব অ্যাপিলস (জানুয়ারি ২০২৬) একটি রায় দিয়েছিল যে, নিম্ন আদালতের বিচারকরা অভিবাসন বিষয়ক মামলায় বিচার করতে পারবেন না যখন অভিবাসন আদালতের মামলা চলছে। এই রায়ের ফলে মহমুদ খালিল (কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র) ১০০ দিনের বেশি আইসিই কারাগারে থাকার পর মুক্তি পান।
"That is all practically disastrous,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ভির্জিনিয়া, টেক্সাস, জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাদর খান সুরি, ডিজি জো সাউয়ার, মহমুদ খালিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫ (গ্রেফতার), ১০০ (দিন), ২-১ (রায়ের অনুপাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!