📌 যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের 'অঙ্গরাজ্যের' মতো সুবিধা চাওয়ার অভিযোগ করেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নি পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যার ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা শনিবার ভোররাতে ভেস্তে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের '৫১তম অঙ্গরাজ্য' না হয়েও রাষ্ট্রের সুবিধাগুলো ভোগ করতে চাইছে। স্থানীয় সময় শনিবার গভীর রাতে দুই দেশের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প তার অভিযোগ তুলে ধরেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ নতুন শুল্ক আরোপ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ট্রাম্পের অভিযোগ: কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের 'অঙ্গরাজ্যের' মতো সুবিধা চাইছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ নতুন শুল্ক আরোপ করেছে
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 ট্রাম্প বলেছেন, কানাডিয়ানরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে বোকামি করেছে
- 📌 আলোচনা পুনরায় শুরুর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি
📰 বিস্তারিত
শনিবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের '৫১তম অঙ্গরাজ্য' না হয়েও রাষ্ট্রের সুবিধাগুলো ভোগ করতে চাইছে। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে মার্কিন কৃষকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ শুল্ক আদায় করা হয়েছে। ট্রাম্পের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অনেক বেশি চেয়েছিল এবং বিনিময়ে তারা খুব কম দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। তিনি আরও বলেন, "যখন আপনার ওপর আক্রমণ হয়, তখন আপনি যুদ্ধে থাকেন। আমাদের ওপর আক্রমণ হয়েছে।"
কার্নি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি ট্রাম্পের শুল্কের জবাবে সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করবেন। এর মধ্যে ইস্পাত, দুগ্ধজাত পণ্য, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ওপর শুল্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এখন একটি 'বাণিজ্য যুদ্ধে' রয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন যে, আলোচনা পুনরায় শুরুর কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি আরও বলেন, ভেস্তে যাওয়া চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ওপর আরোপিত কিছু শুল্ক কমাতে প্রস্তুত ছিল। তবে কার্নি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন অগ্রহণযোগ্য শর্ত দিয়েছে, যেগুলো ছিল খুবই কঠিন।
"তারা যা প্রস্তাব করেছে, আমরা তা গ্রহণ করতে পারি না এবং তারা যা চেয়েছে, আমরা তা দেব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্ক কার্নি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ২০ বিলিয়ন ডলার, ৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!