📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ত্রিপুরা হাইকোর্টের আদেশে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ: চার বাংলাদেশি নাগরিকের কারাদণ্ড মওকুফ

ত্রিপুরা হাইকোর্টের আদেশে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ: চার বাংলাদেশি নাগরিকের কারাদণ্ড মওকুফ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ত্রিপুরা হাইকোর্ট চার বাংলাদেশি নাগরিকের অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে দেওয়া কারাদণ্ড মওকুফ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের দম্পতি সিলেটের বাসিন্দা ছিলেন

ত্রিপুরা হাইকোর্ট অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে দোষী সাব্যস্ত চার বাংলাদেশি নাগরিকের বাকি কারাদণ্ড মওকুফ করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। দুটি মামলায় গত সোমবার বিচারপতি টি আমরনাথ গৌদের বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক আদেশ জারি করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **দু’জনের দম্পতি** (রাতিলাল দাস ও বিনীতা রানি দাস) এবং **দু’জন নারী** (লিজা ও মনসুরা আক্তার) — মোট চার বাংলাদেশি নাগরিকের কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে।
  • 📌 **২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি** শ্রীরামপুর-মনু সেতুতে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে ১৩ জনকে আটক করে বিএসএফ। তাদের মধ্যে দু’জনের দম্পতি সিলেটের মৌলভীবাজার বাসিন্দা ছিলেন।
  • 📌 **২০২৫ সালের ১ নভেম্বর** ঊনকোটি আদালত রাতিলাল দাস ও বিনীতা রানি দাসকে **দু’বছরের সশ্রম কারাদণ্ড** এবং **১০ হাজার রুপি জরিমানা** দিয়েছিল।
  • 📌 **২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর** ত্রিপুরার ধলাই জেলায় দু’জন নারীকে অবৈধ প্রবেশের দায়ে **পাঁচ বছরের কারাদণ্ড** দেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 **বিচারপতি গৌদের আদেশে** বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে রাখা হবে, কিন্তু তাদের দোষী হিসেবে গণ্য করা হবে না।

📰 বিস্তারিত

ত্রিপুরা হাইকোর্টের বিচারপতি টি আমরনাথ গৌদের বেঞ্চ দুটি মামলায় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে দোষী সাব্যস্ত চার বাংলাদেশি নাগরিকের কারাদণ্ড মওকুফ করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রথম মামলায়, পাসপোর্ট আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্তবর্তী ঊনকোটিতে রাতিলাল দাস ও তাঁর স্ত্রী বিনীতা রানি দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সিলেটের মৌলভীবাজার বাসিন্দা এই দম্পতির কোনো বৈধ পরিচয়পত্র ছিল না। পরে তারা স্বীকার করেন যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।

২০২৫ সালের ১ নভেম্বর ঊনকোটি আদালত তাদেরকে **দু’বছরের সশ্রম কারাদণ্ড** এবং **১০ হাজার রুপি জরিমানা** দিয়েছিল। রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করে তারা বাংলাদেশে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। বিচারপতি গৌদের প্রশ্নের জবাবে রাজ্য সরকার জানায়, কারাদণ্ড শেষ হওয়ার আগেই তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যেতে পারে। এরপর আদালত তাদের সাজা পরিবর্তন করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দ্বিতীয় মামলায়, ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর ত্রিপুরার ধলাই জেলার আমবাসা রেলস্টেশনে দু’জন নারীকে অবৈধ প্রবেশের দায়ে আটক করে বিএসএফ। তাদের ভারতীয় নাগরিক প্রমাণ করার মতো কোনো কাগজপত্র ছিল না। ধলাই আদালত তাদেরকে **পাঁচ বছরের কারাদণ্ড** দিয়েছিল। পরে আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, ‘আপিলকারীদের তাঁদের নিজ দেশ বাংলাদেশে পুশব্যাক করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী আপিলকারীদের পুশব্যাক করার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। আপিলকারীদের বাংলাদেশে পুশব্যাক না করা পর্যন্ত তাঁরা কারাগারে হেফাজতে থাকবেন। তবে তাঁদের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গণ্য করা যাবে না।’

"আপিলকারীদের তাঁদের নিজ দেশ বাংলাদেশে পুশব্যাক করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী আপিলকারীদের পুশব্যাক করার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ত্রিপুরা (ঊনকোটি ও ধলাই জেলা), শ্রীরামপুর-মনু সেতু, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি টি আমরনাথ গৌদ, রাতিলাল দাস, বিনীতা রানি দাস, লিজা, মনসুরা আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক, ১৩ জন আটক, ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১ নভেম্বর, ৬ অক্টোবর ২০২৪, ২ বছর কারাদণ্ড, ৫ বছর কারাদণ্ড, ১০ হাজার রুপি জরিমানা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖