📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তোইয়ামা: কম মানুষ নিয়ে স্মার্ট সিটি নীতি দিয়ে জাপানের এই শহরকে আবার মানুষের কাছে আকর্ষণীয় করেছে

তোইয়ামা: কম মানুষ নিয়ে স্মার্ট সিটি নীতি দিয়ে জাপানের এই শহরকে আবার মানুষের কাছে আকর্ষণীয় করেছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাপানের তোইয়ামা শহর জনসংখ্যা হ্রাস ও প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা বৃদ্ধির মুখে স্মার্ট সিটি নীতি ও গণপরিবহন উন্নয়নের মাধ্যমে বাসযোগ্য নগর জীবন গড়ে তুলছে। ২০২৫ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের শীর্ষ পর্যটন গন্তব্য তালিকায় স্থান পেয়েছে এই শহর

জাপানের জনসংখ্যা হ্রাস ও প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তোইয়ামা সিটি একটি উদাহরণ প্রদর্শন করছে। গণপরিবহন উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা এবং পরিকল্পিত আবাসন নীতি নিয়ে এই শহর প্রমাণ করছে যে কম মানুষ নিয়েও নগর জীবন আরও সংযুক্ত ও বাসযোগ্য হতে পারে। জাপান সাগরের উপকূলে অবস্থিত তোইয়ামা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পাহাড়, সমুদ্র, শিল্প ও সংস্কৃতির মিশ্রণে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৫ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের ৫২টি শীর্ষ পর্যটন গন্তব্যের তালিকায় জাপানের দুটি শহরের মধ্যে একটি তোইয়ামা।
  • 📌 ২০১০ সালে জনসংখ্যা ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার; ২০৫০ সালের মধ্যে তা নেমে আসতে পারে ৩ লাখ ৫০ হাজারে।
  • 📌 শহরের ৩০ শতাংশ মানুষ প্রবীণ, যা নগর পরিকল্পনাকে কঠিন করে তুলেছে।
  • 📌 তোইয়ামা এলআরটি (লাইট রেল ট্রানজিট) চালু করে গাড়িনির্ভরতা কমিয়ে দৈনন্দিন সেবা পায়ে হাঁটার দূরত্বে নিয়ে আসছে।
  • 📌 এলআরটি চালুর আগের তুলনায় ২০২০ সালের মধ্যে কর্মদিবসে ব্যবহার ২.১ গুণ এবং ছুটির দিনে ৩.৪ গুণ বেড়েছে।
  • 📌 গণপরিবহনের সুবিধা থাকা এলাকায় বসবাসকারী মানুষের হার ৩০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
  • 📌 শহর কর্তৃপক্ষ নতুন বাড়ি নির্মাণে ৫ লাখ ইয়েন পর্যন্ত সহায়তা দিচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

জাপানের তোইয়ামা সিটি জনসংখ্যা হ্রাস ও প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা বৃদ্ধির মুখে স্মার্ট সিটি নীতি ও গণপরিবহন উন্নয়নের মাধ্যমে একটি উদাহরণ প্রদর্শন করছে। এই শহরটি ২০১০ সালে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার, কিন্তু ২০৫০ সালের মধ্যে তা নেমে আসতে পারে ৩ লাখ ৫০ হাজারে। শহরের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ প্রবীণ, যা নগর পরিকল্পনাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

তোইয়ামা সিটি কর্তৃপক্ষ গণপরিবহন উন্নয়নের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। তারা সাবেক জাপান রেলওয়ের তোইয়ামা পোর্ট লাইনকে পুনরুজ্জীবিত করে জাপানের প্রথম পূর্ণাঙ্গ এলআরটি (লাইট রেল ট্রানজিট) চালু করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গাড়িনির্ভরতা কমিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সেবা পায়ে হাঁটার দূরত্বে নিয়ে আসা হয়েছে।

২০০৬ সালের এপ্রিলে তোইয়ামা লাইট রেল চালু হয়, এরপর ধাপে ধাপে শহরের চলাচলের মানচিত্র পরিবর্তিত হয়। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে সেন্ট্রাম লুপ লাইন চালু হয়, ২০১৫ সালের মার্চে শিনকানসেনের নিচ দিয়ে ট্রামলাইন সম্প্রসারিত হয় এবং ২০২০ সালের মার্চে উত্তর-দক্ষিণ ট্রাম লাইন সংযোগ সম্পন্ন হয়। এই উদ্যোগের ফলে তোইয়ামা স্টেশন শহরের চলাচলের হৃৎস্পন্দনে পরিণত হয়েছে।

এলআরটি উন্নয়নের ফলে শহরের বসবাসের মানও উন্নত হয়েছে। গণপরিবহনের সুবিধা থাকা এলাকায় বসবাসকারী মানুষের হার ৩০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। মেয়র লক্ষ্য রেখেছেন এই হার ৪২ শতাংশে উন্নীত করা। শহর কর্তৃপক্ষ নতুন বাড়ি নির্মাণে ৫ লাখ ইয়েন পর্যন্ত সহায়তা দিচ্ছে। গ্র্যান্ড প্লাজা, জাদুঘর ও লাইব্রেরির মতো নাগরিক সুবিধা শহরের কেন্দ্রকে আবার মানুষের মিলনস্থলে পরিণত করেছে।

"তোইয়ামার এই নগর ভাবনা এবং এর প্রয়োগ কাছ থেকে দেখতে আমন্ত্রণ জানায় শহর কর্তৃপক্ষ। গত ২৫ আগস্ট সেই সফরে নগর ভবনে সাংবাদিকদের সামনে মেয়র হিরোহিসা ফুজিই তুলে ধরেন শহরের চলমান কমপ্যাক্ট সিটি নীতি ও নতুন স্মার্ট সিটি পরিকল্পনার রূপরেখা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তোইয়ামা সিটি, জাপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেয়র হিরোহিসা ফুজিই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২টি (শীর্ষ পর্যটন গন্তব্য), ৪ লাখ ২০ হাজার (২০১০ সালের জনসংখ্যা), ৩ লাখ ৫০ হাজার (২০৫০ সালের অনুমানিত জনসংখ্যা), ৩০ শতাংশ (প্রবীণ নাগরিক), ২.১ গুণ (কর্মদিবসে এলআরটি ব্যবহার বৃদ্ধি), ৩.৪ গুণ (ছুটির দিনে এলআরটি ব্যবহার বৃদ্ধি), ৫ লাখ ইয়েন (নতুন বাড়ি নির্মাণে সহায়তা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖