📌 চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৬ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হন। একই সময় তাইওয়ানে সুপার টাইফুন ‘চ্যাম্পি’র আঘাতে ১ জন মৃত্যু ও ৯৪ জন আহত হন। উভয় দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত ও ৪৬ জন আহত হন। অন্যদিকে, তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসা সুপার টাইফুন ‘চ্যাম্পি’র প্রভাবে ১ জন নিহত ও ৯৪ জন আহত হন। স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে তিব্বতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে, যা পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত নাগচু শহরের প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে এবং তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তিব্বতে নিহত ১৬ জন, আহত ৪৬ জন — এর মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর।
- 📌 ৩৩৯টি বাড়িঘর ধসে পড়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে — উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি চালাচ্ছেন।
- 📌 তাইওয়ানে সুপার টাইফুন ‘চ্যাম্পি’র আঘাতে ১ জন নিহত ও ৯৪ জন আহত — বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯১ কিলোমিটার।
- 📌 ৯৩১টি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল — তাইওয়ান প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
- 📌 চীনে ভূমিকম্পের পর ৩৪৭ জন উদ্ধারকর্মী মোতায়েন — বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ সেবা ব্যাহত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর তিব্বতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোয় তল্লাশি চালাচ্ছেন। কিছু ভবনের ছাদ ধসে পড়েছে এবং একজন আহত ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বাকেন কাউন্টির মারু টাউনশিপের উপপ্রধান লাওয়াং দাগপো জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কম্পন স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে এবং কার্যালয়ের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।
তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসা সুপার টাইফুন ‘চ্যাম্পি’র প্রভাবও ব্যাপক। তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন জানিয়েছে, ঝড়টির বাতাসের বিস্তৃতি প্রায় ৩২০ কিলোমিটার। এ কারণে দ্বীপটির অধিকাংশ এলাকায় এর প্রভাব পড়তে পারে। পাহাড়ি এলাকা থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯১ কিলোমিটার।
চীনে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিব্বতের প্রত্যন্ত তিংরি কাউন্টিতে ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জন নিহত হন। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশে ভূমিকম্পে ১২৭ জন নিহত হন।
"ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে সহায়তার জন্য তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিব্বত (চীন), তাইওয়ান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাওয়াং দাগপো (তিব্বতের উপপ্রধান), তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.০ মাত্রা, ১৬ জন নিহত (তিব্বতে), ৪৬ জন আহত (তিব্বতে), ১ জন নিহত (তাইওয়ানে), ৯৪ জন আহত (তাইওয়ানে), ৩৩৯টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত, ৩৪৭ জন উদ্ধারকর্মী মোতায়েন, ৯৩১টি ফ্লাইট বাতিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!