📌 থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ও পাথুম থানি প্রদেশের ৫০টি জেলাকে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে। টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা ও যানজটের কারণে সরকারি কর্মীদের বাড়িতে থাকার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, যা শহরের পানি ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ও পাথুম থানি প্রদেশের ৫০টি জেলাকে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে। টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও যানজটের কারণে জনজীবনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ত সিত্তিপুন্ত জানিয়েছেন, সোমবার থেকে সব স্কুল বন্ধ থাকবে এবং সরকারি কর্মীদের বাড়িতে থাকার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এতে জলাবদ্ধ সড়কে যানবাহনের চলাচল কমে যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ও পাথুম থানি প্রদেশের ৫০টি জেলাকে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে।
- 📌 টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে পূর্ব ব্যাংককের এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 সোমবার থেকে ব্যাংককের সব স্কুল বন্ধ থাকবে এবং সরকারি কর্মীদের বাড়িতে থাকার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।
- 📌 বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৮৭ মিলিমিটার, যা গড়ের চেয়ে বেশি (গড় ২৬৯ মিলিমিটার)।
- 📌 শহরের পানি নিষ্কাশন কেন্দ্রগুলো প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ২০০ ঘনমিটার পানি সরিয়ে নিচ্ছে।
- 📌 চাও ফ্রায়া বাঁধ থেকে প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ৮৫০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ ঘনমিটার পানি নিঃসরণ বাড়ানো হয়েছে।
- 📌 থাইল্যান্ডের আরও ২০টি প্রদেশে বন্যার খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে নাখন রাতচাসিমা, চানথাবুরি, ফেচাবুন, চন বুরি, চাচোয়েংসাও, বুরি রাম, সুরিন, সিং বুরি, সামুত প্রাকান, নাখন সাওয়ান, ফিচিত, রায়ং, আং থং, চিয়াং নাত, উথাই থানি, প্রাচিন বুরি, আয়ুথায়া, সা কেও, ফিৎসানুলোক, সুপান বুরি এবং নাখন ফানম।
📰 বিস্তারিত
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক ও পাথুম থানি প্রদেশের ৫০টি জেলাকে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণার ফলে ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিএমএ) এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ও সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবে। শনিবার ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা ও যানজট অব্যাহত ছিল। পূর্ব ব্যাংককের এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গভর্নর চাদচার্ত সিত্তিপুন্ত জানিয়েছেন, সোমবার থেকে সব স্কুল বন্ধ থাকবে এবং সরকারি কর্মীদের বাড়িতে থাকার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, বৃষ্টি থেমে গেলে জলাবদ্ধতার পানি পুরোপুরি নিষ্কাশনে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যার মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে না এবং আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৮৭ মিলিমিটার, যা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের একই সময়ের গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে বেশি (গড় ২৬৯ মিলিমিটার)। শহরের পানি নিষ্কাশন কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকায় শনিবার দুপুরের দিকে পানির স্তর স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে। এসব কেন্দ্র সম্মিলিতভাবে প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ২০০ ঘনমিটার পানি সরিয়ে নিচ্ছে।
চাও ফ্রায়া বাঁধ থেকে প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ৮৫০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ ঘনমিটার পানি নিঃসরণ বাড়ানো হয়েছে। বাঁধের ভাটিতে চাও ফ্রায়া নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি নই নদীর তীরের বাসিন্দাদেরও পানির স্তর ও সরকারি ঘোষণাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডের আরও ২০টি প্রদেশে বিভিন্ন মাত্রায় বন্যার খবর পাওয়া গেছে। এগুলো হলো নাখন রাতচাসিমা, চানথাবুরি, ফেচাবুন, চন বুরি, চাচোয়েংসাও, বুরি রাম, সুরিন, সিং বুরি, সামুত প্রাকান, নাখন সাওয়ান, ফিচিত, রায়ং, আং থং, চিয়াং নাত, উথাই থানি, প্রাচিন বুরি, আয়ুথায়া, সা কেও, ফিৎসানুলোক, সুপান বুরি এবং নাখন ফানম।
"বৃষ্টি থেমে গেলে জলাবদ্ধতার পানি পুরোপুরি নিষ্কাশনে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে। ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যার মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে না এবং আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড; পাথুম থানি প্রদেশ, থাইল্যান্ড; চাও ফ্রায়া বাঁধ, চিয়াং নাত প্রদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গভর্নর চাদচার্ত সিত্তিপুন্ত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি জেলা, ৪৮ ঘণ্টা, ৪৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ২৬৯ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত, ১ হাজার ২০০ ঘনমিটার পানি নিষ্কাশন, ১ হাজার ৮৫০ থেকে ১ হাজার ৯৫০ ঘনমিটার পানি নিঃসরণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!