📌 তেলেগু চলচ্চিত্র পরিচালক পবন সাদিনেনিকে যৌন সম্পর্ক স্থাপন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। ভুক্তভোগী এক নারীর অভিযোগে পরিচালককে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে
ভারতের তেলেগু চলচ্চিত্র পরিচালক পবন সাদিনেনিকে যৌন সম্পর্ক স্থাপন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে হায়দরাবাদ পুলিশ। ভুক্তভোগী এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালককে আদালত বিচারিক হেফাজতে কারাগারে প্রেরণ করেন। অভিযোগ অনুসারে, পরিচালক পবন গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যৌন সম্পর্ক স্থাপন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পরিচালক পবন সাদিনেনিকে গ্রেপ্তার করেছে হায়দরাবাদ পুলিশ
- 📌 ভুক্তভোগী নারী জানান, পরিচালক তাকে বিয়ে ও চলচ্চিত্র পরিচালনার প্রলোভন দেখিয়েছিলেন
- 📌 ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরিচালক তাকে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্কে বাধ্য করতেন এবং ভিডিও ধারণ করে হুমকি দিতেন
- 📌 গত ৫ আগস্ট পরিচালকের বাড়িতে ভুক্তভোগীর ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়
- 📌 ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৯ ধারা ও ১১৫(২) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে পরিচালকের বিরুদ্ধে
📰 বিস্তারিত
হায়দরাবাদের গোলকোন্ডা থানায় ভুক্তভোগী এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালক পবন সাদিনেনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, পরিচালক পবন গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। শুরুতে তিনি ওই নারীকে একটি চলচ্চিত্র পরিচালনার প্রস্তাব দেন এবং পরবর্তীতে তাকে প্রযোজনা করার প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া তিনি তাকে স্বাস্থ্য, ক্যারিয়ার ও আর্থিক সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভুক্তভোগী নারী জানান, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে পরিচালক বিবাহিত এবং তার সন্তান রয়েছে। তবে পরিচালক তাকে বিবাহবিচ্ছেদের মিথ্যা প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতার কথা বলে তাকে বিয়ের আশ্বাস দেন। এভাবে তিনি সম্পর্ক চালিয়ে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, একপর্যায়ে সম্পর্কটি কেবল প্রতারণামূলক যৌন সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। তিনি জানান, তার শারীরিক অসুস্থতা ও প্যানিক অ্যাটাকের কথা জানালেও পরিচালক তাকে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্কে বাধ্য করতেন। এমনকি তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে যৌন কার্যকলাপে বাধ্য করতেন এবং সেসব ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিতেন।
গত ৫ আগস্ট বিকেলে পরিচালকের নিজের বাড়িতে ভুক্তভোগী নারীর ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। মুখে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে তাকে জ্ঞানহীন করে ফেলা হয়, যার ফলে তার মুখ ও চোখ ফুলে যায় এবং পিঠে ও মাথায় গুরুতর জখম হয়।
"শারীরিক অসুস্থতা ও প্যানিক অ্যাটাকের কথা জানালেও তিনি আমাকে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্কে বাধ্য করতেন। এমনকি ভিডিও কলের মাধ্যমে যৌন কার্যকলাপে বাধ্য করতেন এবং সেসব ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হায়দরাবাদ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পবন সাদিনেনি (পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯, ১১৫(২)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!