📌 পিএইচডি জীবনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে দক্ষিণ কলোরাডোর টেলুরাইডে একপশলা সফর করে লেখক। সান জুয়ান পর্বতমালা, ব্ল্যাক ক্যানিয়ন, বিয়ার ক্রিক ফলস এবং সিলভারটনের ঐতিহাসিক শহর দেখে রোমাঞ্চিত হন। দীর্ঘ ড্রাইভের মধ্য দিয়ে পৌঁছান ডুরাঙ্গোতে হোটেলে চেক-ইন করে
পিএইচডি জীবনের নিরবচ্ছিন্ন ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে দক্ষিণ কলোরাডোর পাহাড়ি স্বর্গে একপশলা সফর করে ফেলেন একজন লেখক। সান জুয়ান পর্বতমালার রোমাঞ্চকর রাস্তা, ঐতিহাসিক শহর সিলভারটন এবং বিয়ার ক্রিক ফলসের মতো জলপ্রপাতের সৌন্দর্য দেখে তিনি মগ্ন হন। ৫ আগস্ট সকাল ৭টায় গাড়ি চালিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি এবং তার বউ। প্রায় তিন ঘণ্টার দীর্ঘ ড্রাইভের পর পৌঁছান গানিসনে, যেখানে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য চোখে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ আগস্ট সকাল ৭টায় দক্ষিণ কলোরাডোর টেলুরাইডে একপশলা সফরে বের হন লেখক ও তার বউ।
- 📌 ৩ ঘণ্টার ড্রাইভ শেষে পৌঁছান গানিসনে, যেখানে দেখেন ব্ল্যাক ক্যানিয়ন অব দ্য গানিসন ও ব্লু মেসা রিজার্ভারের শান্ত জলরাশি।
- 📌 মিলিয়ন ডলার হাইওয়ে (ইউএস রুট ৫৫০) দিয়ে যাত্রা করে লেখক বিয়ার ক্রিক ফলসের কাছে পৌঁছান, যেখানে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু জলপ্রপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করেন।
- 📌 ৯ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সিলভারটন শহর দেখে লেখক মনে করেন, এটি উনিশ শতকের চলচ্চিত্রের সেটের মতো।
- 📌 ডুরাঙ্গোতে চূড়ান্ত গন্তব্য হিসেবে পৌঁছান লেখক, যেখানে সান জুয়ানের অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে সস্তা হোটেল পান।
📰 বিস্তারিত
লেখক বলেন, সামারের ছুটির শেষের দিকে পিএইচডি জীবনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে তিনি এবং তার বউ চটজলদি প্ল্যান করে ফেলেন দক্ষিণ কলোরাডোর টেলুরাইডে একপশলা সফর করার। টেলুরাইড এমন এক জায়গা যেখানে সারা বছর পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে পাহাড়ের সোনালি পাতার সৌন্দর্য দেখতে পর্যটকরা ভিড় করে। কিন্তু লেখক ও তার বউ সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত টেলুরাইডে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেননি। তারা রাতের মধ্যেই সবকিছু গুছিয়ে পরদিন সকাল ৭টায় গাড়ি চালিয়ে বেরিয়ে পড়েন।
গানিসন থেকে ইউএস হাইওয়ে ৫০ ধরে এগিয়ে চলার সময় লেখক মুগ্ধ হন ব্ল্যাক ক্যানিয়ন অব দ্য গানিসনের খাড়া পাথুরে দেয়াল ও ব্লু মেসা রিজার্ভারের শান্ত জলরাশির সৌন্দর্য দেখে। আগস্ট মাসে অ্যাসপেন ও তার আশপাশের পাহাড়ে ওয়াইল্ডফায়ার চলছিল, তাই দূর থেকে আকাশে ছাই আর ধোঁয়ার চাদর দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আনকম্পাগ্রে ন্যাশনাল ফরেস্টে পৌঁছার সাথে সাথে আকাশ স্বচ্ছ হয়ে যায়। লেখক পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে চলা আনকম্পাগ্রে নদীর রূপালি ফিতা দেখে মনে হয়, নদী তাদের স্বাগত জানাচ্ছে।
লেখক বলেন, সান জুয়ান পর্বতমালার রোমাঞ্চকর পথ ইউএস রুট ৫৫০ দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। এই পথকে স্থানীয়রা ‘আমেরিকার সুইজারল্যান্ড’ বলে ডাকেন। পথের পাশে খাড়া পাথুরে পাহাড় ও গভীর খাদ দেখে লেখক মনে করেন, যেন পৃথিবীর কোনো এক শান্ত চূড়ায় এসেছেন। কিছু দূর গিয়ে লেখক বিয়ার ক্রিক ফলসের কাছে পৌঁছান, যেখানে প্রায় ৭০ ফুট উঁচু থেকে গর্জন করে নেমে আসা জলপ্রপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করেন।
দুপুরের খাবার সেরে লেখক সিলভারটন শহরে পৌঁছান, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। এই শহরটি উনিশ শতকের চলচ্চিত্রের সেটের মতো দেখায়। সিলভারটনের পাশ দিয়ে কুলকুল শব্দে বয়ে চলেছে অনিমাস নদী, যা স্থানীয় ভাষায় ‘হারিয়ে যাওয়া আত্মার নদী’ নামে পরিচিত। নদীর ধারে কিছুক্ষণ হেঁটে লেখক পাহাড়ের নির্জনতা অনুভব করেন।
"পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে চলা আনকম্পাগ্রে নদী রূপালি ফিতার মতো আমাদের পাশে পাশে চলতে লাগল, যেন দূর থেকে হাতছানি দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কলোরাডো (টেলুরাইড, গানিসন, সিলভারটন, ডুরাঙ্গো, আনকম্পাগ্রে ন্যাশনাল ফরেস্ট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক ও তার বউ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (আগস্ট), ৭ (টায়), ৩ (ঘণ্টা), ৫৫০ (ইউএস রুট), ৯ (হাজার ফুট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!