📌 চীনের সামরিক চাপ মোকাবেলায় তাইওয়ানে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬টি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমানের প্রথম চালান। ২ অক্টোবর তাইপে বিমানঘাঁটিতে দুটি নতুন বিমান অবতরণ করবে, যা দ্বীপরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এফ-১৬ভি চীনের স্টেলথ ফাইটার জে-২০-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে
চীনের অব্যাহত সামরিক আগ্রাসনের মুখে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তাইওয়ানে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬টি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমানের প্রথম চালান। শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাইওয়ানের পার্বত্য পূর্ব উপকূলের তাইতুং বিমানঘাঁটিতে দুটি নতুন যুদ্ধবিমান অবতরণ করবে। এই ঘটনা ঘটছে এমন সময়ে, যখন তাইপে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের প্রতিশ্রুতির প্রতি কিছু রাজনৈতিক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ অক্টোবর তাইওয়ানে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬টি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমানের প্রথম চালান — দুটি নতুন বিমান তাইতুং বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করবে।
- 📌 ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ৬৬টি এফ-১৬ভি বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর করে তাইওয়ান। পুরো চালান হস্তান্তর শেষ হলে এফ-১৬ সিরিজের বিমানের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাবে।
- 📌 ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের এই বিমানগুলোতে উন্নত এভিওনিকস, শক্তিশালী অস্ত্র ও দূরপাল্লার রাডার রয়েছে।
- 📌 প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানান, বছরের শেষ নাগাদ আরও বিমান সরবরাহের কথা রয়েছে।
- 📌 চীনের স্টেলথ ফাইটার জে-২০-এর বিরুদ্ধে এফ-১৬ভি’র প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকরা আশাবাদী।
📰 বিস্তারিত
চীনের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করা তাইওয়ানের চারপাশে নিয়মিত টহল নেওয়া চীনের যুদ্ধবিমান ও নৌবহরের কারণে দ্বীপরাষ্ট্র সার্বক্ষণিক সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সরঞ্জাম সরবরাহ বজায় রেখেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র জানান, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে তারা তাইওয়ানের পাশে রয়েছে।
গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার বেইজিং বৈঠক এবং সেপ্টেম্বরে হোয়াইট হাউসে হওয়া বৈঠকের সপ্তাহখানেকের মধ্যেই এই যুদ্ধবিমান দুটি তাইওয়ানে পৌঁছেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এফ-১৬ভি চীনের স্টেলথ প্রযুক্তির ‘জে-২০’ ফাইটারের মোকাবেলায় তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় ভারসাম্য আনবে।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘বছরের শেষ নাগাদ সরবরাহ কেবল এই দুটি যুদ্ধবিমানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’ তিনি জানান, ধারাবাহিকভাবে আরও নতুন এফ-১৬ভি বিমান বহরে যুক্ত হবে।
"অবশ্যই বছরের শেষ নাগাদ সরবরাহ কেবল এই দুটি যুদ্ধবিমানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।"
২০২৩ সালে তাইপে নিজেদের পুরনো এফ-১৬ বহরের আধুনিকায়ন সম্পন্ন করেছে। এই সরবরাহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি চীনের সামরিক আগ্রাসনের মুখে তাইওয়ানের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তাইওয়ানের তাইতুং বিমানঘাঁটি, পার্বত্য পূর্ব উপকূল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬টি এফ-১৬ভি, ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার, ২০০টি (এফ-১৬ সিরিজের বিমান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!