📌 সিরিয়ার গৃহযুদ্ধকালীন সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে লেবানন থেকে সিরিয়ার নতুন সরকারের কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। আদেল ইসা পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশের সামরিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতন ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত উসকে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে
লেবানন থেকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত সিরিয়ার সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে সিরিয়ার নতুন সরকারের কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথম কোনো সাবেক সামরিক কর্মকর্তাকে প্রত্যর্পণ করা হলো। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আদেল ইসা (৬৭) বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানো এবং গৃহযুদ্ধ উসকে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লেবানন থেকে সিরিয়ার নতুন সরকারের কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে
- 📌 আদেল ইসার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে
- 📌 তিনি ২০১৬ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশে সামরিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন
- 📌 গত ৮ আগস্ট বৈরুতে সিরীয় দূতাবাসে কাগজপত্র জমা দিতে গেলে তাঁকে আটক করা হয়
- 📌 লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যে ১৯৫১ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে দায়িত্ব পালন করা মেজর জেনারেল আদেল ইসাকে যুদ্ধাপরাধসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে সিরিয়ার নতুন সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে লেবানন। আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথম কোনো সাবেক উচ্চপদস্থ সিরীয় সামরিক কর্মকর্তাকে প্রত্যর্পণ করা হলো। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিবিসির বরাত দিয়ে জানা যায়, প্রত্যর্পণ করা ওই কর্মকর্তার নাম আদেল ইসা। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানো এবং গৃহযুদ্ধ ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
গত ৮ আগস্ট বৈরুতে সিরীয় দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সারতে গেলে আদেল ইসাকে আটক করা হয়। পরে গত বুধবার তাঁকে সিরীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আদেল ইসা ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশে স্থলবাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলে সরকারি বাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল।
তবে গ্রেপ্তারের সময় ইসা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যে ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির আওতায় ইসাকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন তাঁর মামলাটি দামেস্কের একজন রেফারেল বিচারকের কাছে যাবে। তিনি অভিযোগগুলো বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করবেন। এরপর মামলাটি ফৌজদারি আদালতে পাঠানো হতে পারে।
"আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার বহু সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী লেবাননে আশ্রয় নেন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লেবাননের ওপর নতুন সিরীয় সরকারের চাপ ছিল। এই প্রেক্ষাপটে আদেল ইসার প্রত্যর্পণকে দুই দেশের সম্পর্ক ও যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বৈরুত, লেবানন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর জেনারেল আদেল ইসা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭ বছর, ৮ আগস্ট, ২০০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!