📌 সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণে তিনটি প্রধান বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। আগুন এখনও জ্বলছে এবং বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সিরিয়ান সরকারের তথ্যমতে, গত ছয় সপ্তাহে এই ধরনের দুটি বিস্ফোরণও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে
সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের একটি গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণে তিনটি প্রধান বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে এবং জ্বলন্ত আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়েছে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা এবং সিরিয়ান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি জানিয়েছে, বিস্ফোরণে ডেইর আলি, আল-নাসিরিয়াহ এবং তিশরিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় ঘুতা এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গেছে, যা দামেস্কের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ: সিরিয়ান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি জানিয়েছে, ডেইর আলি, আল-নাসিরিয়াহ এবং তিশরিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বিস্ফোরণে গ্যাস সরবরাহের অভাবের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।
- 📌 অগ্নিকাণ্ড চলমান: বিস্ফোরণে জ্বলন্ত আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়েছে এবং বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
- 📌 গ্যাস নেটওয়ার্কে দুটি পূর্ববর্তী বিস্ফোরণ: গত ছয় সপ্তাহে সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি জানিয়েছে, পূর্বে দুটি বিস্ফোরণও ঘটেছে, যা সাবোটেজের ফলস্বরূপ বলে দাবি করা হয়েছে।
- 📌 বিদ্যুৎ সরবরাহে বাড়তি কাটাকাটি: বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘন্টা বাড়ানো হয়েছে বলে সিরিয়ান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি সতর্ক করেছে।
- 📌 পেট্রোল ও ডিজেল দাম বাড়ানো: সরকার গত দুই সপ্তাহে সিরিয়ায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ২৮% এবং ৪০% বাড়িয়ে দিয়েছে, যা বৈশ্বিক শক্তি খরচের বৃদ্ধির কারণে বলে দাবি করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলের গ্যাস পাইপলাইনে ঘটা বিস্ফোরণে তিনটি প্রধান বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। সিরিয়ান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি জানিয়েছে, বিস্ফোরণে গ্যাস সরবরাহের অভাবের কারণে ডেইর আলি, আল-নাসিরিয়াহ এবং তিশরিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। পূর্বাঞ্চলীয় ঘুতা এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটেছে, যা দামেস্কের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
বিস্ফোরণে জ্বলন্ত আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়েছে এবং বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে এই অবস্থার সমাধান করতে। সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি জানিয়েছে, গত ছয় সপ্তাহে এই ধরনের দুটি বিস্ফোরণও ঘটেছে, যা সাবোটেজের ফলস্বরূপ বলে দাবি করা হয়েছে। কোনো দল দায় স্বীকার করেনি এই বিস্ফোরণগুলোর জন্য।
সিরিয়ায় গত কয়েক মাসে শক্তি খরচ বাড়ার কারণে জনগণ অসন্তুষ্ট। গত দুই সপ্তাহে দেশব্যাপী প্রতিবাদ শুরু হয়। সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ২৮% এবং ৪০% বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে। সরকার বলেছে, এই দাম বাড়ানো বৈশ্বিক শক্তি খরচের বৃদ্ধির কারণে এবং এটি মوقت বলে দাবি করা হয়েছে।
"গ্যাস সরবরাহের অভাবের কারণে তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘন্টা বাড়ানো হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্বাঞ্চলীয় ঘুতা, দামেস্কের উপকণ্ঠ, সিরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি/সংস্থা: সিরিয়ান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানি, সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, ৪০% পেট্রোল দাম বৃদ্ধি, ২৮% ডিজেল দাম বৃদ্ধি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!