📌 কালো সাগরে একটি কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর সিরিয়া সরকার স্বাধীন ও পরিষ্কার তদন্তের দাবি জানিয়েছে। জাহাজে ছিল ১০ জন ক্রু, তাদের মধ্যে ৯ জন সিরিয়ান ও ১ জন মিশরীয়, যাদের এখনও কোনো খবর নেই। সিরিয়ান কর্তৃপক্ষ জাহাজের ডুবে যাওয়ার কারণ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিচ্ছিন্নতার পিছনের কারণ জানতে চাইছে
কালো সাগরে একটি কার্গো জাহাজের ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সিরিয়া সরকার স্বাধীন ও পরিষ্কার তদন্তের দাবি জানিয়েছে। সিরিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি মাজেন আলউশ বলেছেন, জাহাজে ছিল ১০ জন ক্রু, যার মধ্যে ৯ জন সিরিয়ান ও ১ জন মিশরীয়। এখনও পর্যন্ত তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় সিরিয়া আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংস্থা (আইএমও) ও বুলগেরিয়া কর্তৃপক্ষকে জাহাজের ডুবে যাওয়ার কারণ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিচ্ছিন্নতার পিছনের কারণ জানতে বলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কালো সাগরে টোগোলেস-ফ্ল্যাগযুক্ত ‘আলফা ওয়াটান’ নামের কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে, যার ১০ জন ক্রু (৯ সিরিয়ান ও ১ মিশরীয়) এখনও অদৃশ্য
- 📌 সিরিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি মাজেন আলউশ বলেছেন, ‘তাদের দশা এখনও অজানা’ এবং ‘রক্ষণাবেক্ষণ বিচ্ছিন্নতার কারণ’ জানতে হবে
- 📌 জাহাজ ডুবে যাওয়ার আগে রক্ষণাবেক্ষণ অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যা সিরিয়ান কর্তৃপক্ষকে উদ্বিগ্ন করেছে
- 📌 একই সময়ে পালাউ-ফ্ল্যাগযুক্ত ‘এবল’ নামের আরেকটি জাহাজে আগুন লাগে, যার ১৮ জন ক্রু (১৮ জন তুর্কি ও ভারতীয়) বেঁচে যায়
- 📌 সিরিয়ান জাহাজ মালিকানার সংস্থা জানিয়েছে, ক্রুদের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলা হয়েছে এবং কোনো বেঁচে যাওয়া পাওয়া যায়নি
- 📌 মাজেন আলউশ বলেছেন, ‘সৈনিক জাহাজের লক্ষ্যবস্তু করা একটি মারাত্মক নৌ নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং নাবিকদের জন্য একটি হুমকি’
📰 বিস্তারিত
কালো সাগরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় জাহাজের উপর ড্রোন হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘আলফা ওয়াটান’ জাহাজটি বুলগেরিয়ার অর্থনৈতিক অঞ্চলে ডুবে গিয়েছিল। মাজেন আলউশ বলেছেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংস্থা (আইএমও) ও বুলগেরিয়া কর্তৃপক্ষকে জাহাজের ডুবে যাওয়ার কারণ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিচ্ছিন্নতার কারণ জানতে বলেছি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘রক্ষণাবেক্ষণ বিচ্ছিন্নতার কারণ’ জানতে হবে যাতে পরবর্তীতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।
এই ঘটনায় সিরিয়ান জাহাজ মালিকানার সংস্থা জানিয়েছে, ক্রুদের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলা হয়েছে এবং কোনো বেঁচে যাওয়া পাওয়া যায়নি। আলউশ বলেছেন, ‘সৈনিক জাহাজের লক্ষ্যবস্তু করা একটি মারাত্মক নৌ নিরাপত্তা লঙ্ঘন এবং নাবিকদের জন্য একটি হুমকি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘সিরিয়ান জাহাজ ও কর্তৃপক্ষের সাধারণ কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাটি নজরদারি করছে এবং সব সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত উপায় ব্যবহার করে ডুবে যাওয়া জাহাজের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করার জন্য কাজ করছে।’
এই ঘটনায় সিরিয়ান কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক ও নৌ সংস্থাগুলিকে জাহাজের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কারণ কালো সাগরে হামলার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
"আমাদের দশা এখনও অজানা। রক্ষণাবেক্ষণ বিচ্ছিন্নতার কারণ জানতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কালো সাগর, বুলগেরিয়ার অর্থনৈতিক অঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাজেন আলউশ (সিরিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন ক্রু (৯ সিরিয়ান ও ১ মিশরীয়), ১৮ জন বেঁচে যাওয়া ক্রু (১৮ জন তুর্কি ও ভারতীয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!