📌 সুইজারল্যান্ডের গণভোটে ৭০ শতাংশের বেশি ভোটার নিরপেক্ষতার নতুন কঠোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রস্তাবটি পাস হলে রাশিয়া-বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ সীমিত হতো। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস বলেছেন, নিরপেক্ষতার অর্থ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখে নীরব থাকা নয়
সুইজারল্যান্ডের শতাব্দীপ্রাচীন নিরপেক্ষতা নীতির নতুন কঠোরতা নিয়ে জনগণের প্রত্যাখ্যানের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে। গণভোটে ৭০ শতাংশের বেশি ভোটার এমন প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই প্রস্তাব পাস হলে সুইজারল্যান্ডের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যেত এবং ন্যাটো জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ তৈরি হতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুইজারল্যান্ডে গণভোটে ৭০ শতাংশের বেশি ভোটার নিরপেক্ষতার নতুন কঠোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন
- 📌 প্রস্তাব পাস হলে রাশিয়া-বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ সীমিত হতো এবং ন্যাটো জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কমে যেত
- 📌 ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর নিরপেক্ষতার নীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়
- 📌 রাশিয়া প্রস্তাবটিকে সমর্থন করেছিল, কিন্তু সুইজারল্যান্ডের সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দল এর বিরোধিতা করে
- 📌 পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস বলেছেন, নিরপেক্ষতার অর্থ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখে নীরব থাকা নয়
- 📌 সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতন্ত্রের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রায়ই গণভোটের মাধ্যমে নেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ। এই প্রস্তাবের পক্ষে ছিলেন সুইজারল্যান্ডের ডানপন্থী সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি), কিন্তু সরকার ও অন্যান্য প্রধান রাজনৈতিক দল এর বিরোধিতা করে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান Gfs. bern-এর সহপরিচালক লুকাস গোল্ডার বলেছেন, ভোটারেরা নিরপেক্ষতার ধারণা প্রত্যাখ্যান করেননি; বরং রাশিয়া-বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতি তাদের সমর্থন স্পষ্ট হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস বলেছেন, সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতা ঐতিহাসিকভাবে কিছুটা নমনীয়ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, নিরপেক্ষতার অর্থ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখে নীরব থাকা নয়। তবে যুদ্ধরত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা সুইজারল্যান্ডের নেই।
১৮১৫ সালে ভিয়েনা কংগ্রেসে সুইজারল্যান্ডের ‘চিরস্থায়ী নিরপেক্ষতা’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। পরে ১৯০৭ সালের হেগ কনভেনশনে এর আইনি কাঠামো নির্ধারিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইজারল্যান্ড নিরপেক্ষ ছিল, কিন্তু নাৎসি জার্মানির লুট করা সোনা গ্রহণ এবং ইহুদি শরণার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়ার নীতির জন্য পরবর্তীকালে সমালোচনার মুখে পড়ে। ১৯৯০-এর দশকে দেশটি এসব নীতির জন্য ক্ষমা চায়।
সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতন্ত্রের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত প্রায়ই গণভোটের মাধ্যমে জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়। তবে এই প্রতিবেদনে উল্লেখযোগ্য যে, কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (এসআরএফটিআই) কট্টর ডানপন্থী ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের (এবিজিপি) সদস্যদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
"ভোটারেরা নিরপেক্ষতার ধারণা প্রত্যাখ্যান করেননি; বরং রাশিয়া-বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতি তাঁদের সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইজারল্যান্ড, কলকাতা (সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস, সহপরিচালক লুকাস গোল্ডার, সত্যজিৎ রায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!