📌 সুইডেনের ২০২৬ সালের রিক্সদাগ নির্বাচনে ব্যক্তিগত ভোটের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। মোহামেদ আবদুকারদির আলি দলের তালিকায় নবম নম্বরে থাকা সত্ত্বেও ৬৪৮টি ব্যক্তিগত ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অভিযোগে ভোটারদের অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়নি কিনা তা নিয়ে তদন্ত চলছে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদেরও এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছিল
সুইডেনের গণতান্ত্রিক নির্বাচনব্যবস্থায় ব্যক্তিগত ভোটের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশের মতো দেশে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, কিন্তু সুইডেনের মতো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী দেশেও এই ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রশ্ন জাগে: গণতন্ত্রের এই মডেলে কি দুর্বলতা আছে? ২০২৬ সালের সুইডিশ রিক্সদাগ নির্বাচনে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৩ সেপ্টেম্বর** সুইডেনে অনুষ্ঠিত রিক্সদাগ নির্বাচনে **৮০ লাখ ৫১ হাজার ৩৫৫ জন** ভোটার উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে **৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৩ জন** ভোট দিয়েছেন — **৮৪.৯%** ভোটার অংশগ্রহণের হার।
- 📌 **মোহামেদ আবদুকারদির আলি** (৩০ বছর) দলের তালিকায় **৯ নম্বরে** থাকা সত্ত্বেও **৬৪৮টি ব্যক্তিগত ভোট** পেয়ে নির্বাচিত হন এবং দালারনা অঞ্চলের আসনে বিজয়ী হন।
- 📌 **অভিযোগ**: কিছু ভোটারকে আগে থেকেই নির্দিষ্ট প্রার্থীর নামে চিহ্নিত ব্যালট দেওয়া হয়েছিল এবং ভোটের বিনিময়ে অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
- 📌 **তদন্ত চলছে**: সুইডেনের নির্বাচন কমিশন তদন্ত করছে। মোহামেদ আলিকে **অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি** এবং তিনি নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
- 📌 **বাংলাদেশি প্রার্থীদের অংশগ্রহণ**: লিও আহমেদ, ফারজানা খান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন রিক্সদাগ নির্বাচনে, মিহিবুল এজদানি খান, দীপক কুণ্ডু ও পাপেল খান স্টকহোম অঞ্চলের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
- 📌 **বৈধ ব্যক্তিগত ভোটের ব্যবস্থা**: সুইডেনে ভোটাররা দলের প্রার্থী ছাড়াও **৫% ব্যক্তিগত ভোট পেলে** নির্বাচিত হতে পারেন। তবে অভিযোগের ক্ষেত্রে এটি **অপব্যবহারের** বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, কিন্তু সুইডেনের মতো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী দেশেও নির্বাচনে অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে প্রশ্ন জাগে: গণতন্ত্রের এই মডেলে কি দুর্বলতা আছে? ২০২৬ সালের সুইডিশ রিক্সদাগ নির্বাচনে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হয়েছে। নির্বাচনে **৮৪.৯%** ভোটার অংশগ্রহণের হার ছিল, যা সুইডেনের নির্বাচনব্যবস্থার শক্তিশালী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।
বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছিলেন **মোহামেদ আবদুকারদির আলি**। তিনি দলের তালিকায় **৯ নম্বরে** থাকা সত্ত্বেও **৬৪৮টি ব্যক্তিগত ভোট** পেয়ে নির্বাচিত হন। অভিযোগ উঠেছে যে, কিছু ভোটারকে আগে থেকেই নির্দিষ্ট প্রার্থীর নামে চিহ্নিত ব্যালট দেওয়া হয়েছিল এবং ভোটের বিনিময়ে অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এই অভিযোগের আইনি বিষয় হলো ‘otillbörligt verkande vid röstning’ — অর্থাৎ ভোটদানে বেআইনি প্রভাব বিস্তার। তবে মোহামেদ আলিকে **অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি** এবং তিনি নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সুইডেনের নির্বাচনব্যবস্থায় **বৈধভাবে ব্যক্তিগত ভোট** দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একজন প্রার্থী যদি **৫% ব্যক্তিগত ভোট** পায়, তাহলে দলের তালিকায় নিচে থাকা সত্ত্বেও নির্বাচিত হতে পারেন। তবে যখন অভিযোগ উঠে যে ভোটারকে নির্দিষ্ট প্রার্থীর নামে আগে থেকেই চিহ্নিত ব্যালট দেওয়া হয়েছে, তখন এটি **অপব্যবহারের** বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সুইডেনের নির্বাচন কমিশন তদন্ত করছে এবং মোহামেদ আলিকে **সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে বিরত** রাখা হয়েছে।
এই নির্বাচনে **বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদেরও** অংশগ্রহণ ছিল। লিও আহমেদ, ফারজানা খান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন রিক্সদাগ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। মিহিবুল এজদানি খান, দীপক কুণ্ডু ও পাপেল খান স্টকহোম অঞ্চলের নির্বাচনে এবং হারুন চৌধুরী, তাওহিদ আমানুল্লাহ, আফতাব জাইগিরদার, শিমুল সানাউল্লাহ ও মো. আরিফ হোসাইন মাজুমদার বিভিন্ন পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। লিও আহমেদ সিগতুনা পৌরসভায় **২১৫টি ব্যক্তিগত ভোট** পেয়েছিলেন।
"তাঁকে কোনো অপরাধে সন্দেহভাজন করা হয়েছে এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই।" — এসভিটি (SVT) প্রতিবেদন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইডেন (বিশেষত ভ্যানস্টারপারিয়েত ও দালারনা অঞ্চল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহামেদ আবদুকারদির আলি, লিও আহমেদ, ফারজানা খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪৮ (ব্যক্তিগত ভোট), ৮৪.৯% (ভোটার উপস্থিতি), ৫% (ব্যক্তিগত ভোটের মিনিমাম শর্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!