📌 সুপ্রিম কোর্টে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের নেতারা আবেদন করলেন ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগে। রাহুল গান্ধী নেতৃত্বে মিছিলকারীরা পুলিশের বাধায় সুপ্রিম কোর্ট পৌঁছাতে পারলেন না। তিনি ঘোষণা দিলেন, ‘আমরা থামব না’। দিল্লির ছয়টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়
সুপ্রিম কোর্টে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের নেতারা আবেদন করেছেন ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে। একই সঙ্গে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে হাজারো কর্মী-সমর্থক সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করে গেলেও পুলিশের বাধায় তারা লক্ষ্যস্থলে পৌঁছাতে পারেননি। রাহুল গান্ধী ঘোষণা দিয়েছেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারের পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পালা। আমরা থামব না’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন দাখিল করেন বিরোধী দলের নেতারা, যাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের তেজস্বী প্রসাদ যাদব।
- 📌 রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশ কুমার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের চাপে কাজ করছেন।
- 📌 ১৩ অক্টোবর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে মিছিলকারীদের ভগবান দাস রোডে পুলিশ বাধা দেয়। হাজারো মানুষ সেখানে অবস্থান নেন।
- 📌 দিল্লির ছয়টি মেট্রো স্টেশন (জনপথ, মান্ডি হাউস, বারাখাম্বা রোড, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক ও প্যাটেল চক) বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়।
- 📌 সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা দিল্লি পুলিশকে চিঠি দিয়ে নতুন বিক্ষোভের তারিখ চেয়েছিলেন। পুলিশ তিনটি স্থান নির্ধারণ করে: রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।
- 📌 সুপ্রিম কোর্ট রোববার নির্দেশ দিয়েছে, দিল্লির মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে এবং ইন্টারনেট সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১২:৫৬ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন দাখিল করা হয়। বিরোধী দলের নেতারা অভিযোগ করেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় (এসআইআর) বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ঘটেছে। আবেদনে এই দাবি করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে মিছিলের অংশগ্রহণকারী ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা। তারা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। মিছিলের সময় রাহুল গান্ধী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর জন্য আলাদা কোনো আন্দোলন করছি না। একটিই প্রতিবাদ চলছে। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহের পালা। আমরা থামব না’।
দিল্লির পুলিশ মিছিলকারীদের ভগবান দাস রোডে বাধা দেয়। হাজারো মানুষ সেখানে অবস্থান নেন। পুলিশের এই পদক্ষেপের ফলে মিছিল সুপ্রিম কোর্ট পৌঁছাতে পারেনি। অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা দিল্লি পুলিশকে চিঠি দিয়ে নতুন বিক্ষোভের তারিখ চেয়েছিলেন। পুলিশ বিকল্প হিসেবে তিনটি স্থান নির্ধারণ করেছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দিল্লির মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে এবং ইন্টারনেট সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বলা হয়েছে। আদালত বলেছে, কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করলে তা সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
"জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর জন্য আলাদা কোনো আন্দোলন হচ্ছে না। একটিই প্রতিবাদ চলছে। এরপর প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহের পালা। আমরা থামব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (ভগবান দাস রোড, রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড, পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, জ্ঞানেশ কুমার, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র, নেহা বোরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর, ১৩ অক্টোবর, ১২:৫৬ মিনিট, ৬টি মেট্রো স্টেশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!