📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুদানের ইতিহাসে ফামিনের ছায়া: যুদ্ধে ডুবে যাচ্ছে দেশের খাদ্য সংকট

সুদানের ইতিহাসে ফামিনের ছায়া: যুদ্ধে ডুবে যাচ্ছে দেশের খাদ্য সংকট

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুদানের ইতিহাসে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট খাদ্য সংকট ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক ফামিনের স্মৃতি তাজা করছে। মানবসৃষ্ট কারণে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দেশে দুবার ফামিন দেখা দিলে, ইতিহাসবিদ ও মানবতাবাদীরা ভয় প্রকাশ করছেন

সুদানের ইতিহাসে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট খাদ্য সংকট ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক ফামিনের স্মৃতি তাজা করছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া সুদান সেনাবাহিনী ও র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের মধ্যে চলমান যুদ্ধ দেশটিকে আধুনিক যুগের সবচেয়ে মারাত্মক খাদ্য সংকটে ফেলেছে। ২০২৪ সালের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়েছে। ইতিহাসবিদ ও মানবতাবাদীরা ভয় প্রকাশ করছেন যে, ইতিহাসের কালো দিনগুলো পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সুদানের ইতিহাসে ১৬৮৪ সাল থেকে শুরু করে ১৮৮৮-৮৯ সালের ফামিনের মতো মানবসৃষ্ট খাদ্য সংকট** এবার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট হয়েছে, যা দেশের প্রতিটি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত হয়েছে।
  • 📌 **১৯৮৪ সালের ফামিনের মতো এইবারের সংকটও** কেবল দক্ষিণ সুদান বা ডারফুরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং খার্তুম, জেজিরা, সেন্নার, ডারফুর ও কর্দোফান সহ প্রধান শহর ও কৃষি কেন্দ্রগুলিও আক্রান্ত হয়েছে।
  • 📌 **মানবতাবাদী ও ইতিহাসবিদ আব্দুল্লাহ আল-তিজানি** বলেছেন, এইবারের সংকটের কারণ হলো অবকাঠামো ধ্বংস, কৃষি প্রকল্পের ব্যাহততা, বাজার ও রুটি খানার লক্ষ্যবস্তু করা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাহততা।
  • 📌 **১৮৮৮-৮৯ সালের ফামিনে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল**। সেই সময়ের মতো এবারও পরিবারগুলো নিজেদের ঘরে বন্ধ করে খাবার চাইতে বেরিয়ে না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
  • 📌 **মানবিক সহায়তা প্রবেশের বাধা ও পরিবহন নিষেধাজ্ঞা** সংকটকে আরও তীব্র করেছে।

📰 বিস্তারিত

সুদানের ইতিহাসে ফামিনের স্মৃতি এখনও তাজা। ১৬৮৪ সালে ফুনজ সালতানাতের শাসনামলে শুরু হওয়া একটি মারাত্মক খাদ্য সংকট দেশের মধ্যাঞ্চলে ধান সংকট সৃষ্টি করেছিল। ঐ সময়ের বিবরণে বলা হয়েছে, মানুষের দুরবস্থা এমন ছিল যে কেউ কেউ কুকুর মাংস খেতে বাধ্য হয়েছিল। এই সংকটের ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং ছোটপোকা জ্বর (স্মলপক্স) মহামারী ছড়ায়।

১৭৫০ ও ১৮৩৫-৩৮ সালের মধ্যে নীল নদীর জলস্তর কমে যাওয়ার কারণে আবারও খাদ্য সংকট দেখা দেয়। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ফামিনটি ছিল ১৮৮৮-৮৯ সালে খলিফা আব্দুল্লাহ আল-তাশির শাসনামলে। তখন দুর্যোগ, মাকড়শা আক্রমণ ও সংঘাতের কারণে দেশব্যাপী খাদ্য সংকট দেখা দেয়। ঐ সময়ের অনুমান মতে, মৃত্যুর সংখ্যা এক মিলিয়নেরও বেশি ছিল। ঐ সময়ের বিবরণে বলা হয়েছে, কিছু পরিবার নিজেদের ঘরে বন্ধ করে খাবার চাইতে বেরিয়ে না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

২০ শতকের শুরুতে সুদানেও খাদ্য সংকট দেখা দেয়। ১৯৮৪ সালে প্রেসিডেন্ট জাফার নিমেরির শাসনামলে পশ্চিম সুদানের ডারফুর ও কর্দোফান অঞ্চলে মারাত্মক শুষ্কতা দেখা দেয়। তখন কৃষি ও পশুপালন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ গ্রাম থেকে খার্তুমে বাস্তুচ্যুত হয়।

এবারের ফামিনের প্রধান কারণ হলো যুদ্ধ। যুদ্ধ কৃষি উৎপাদন ও বাণিজ্যকে ব্যাহত করেছে, কৃষকদের তাদের জমি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করেছে এবং খাদ্য ও মানবিক সহায়তা পরিবহনের পথ বন্ধ করেছে। ইতিহাসবিদ ও মানবতাবাদী আব্দুল্লাহ আল-তিজানি বলেছেন, “পূর্বের ফামিনগুলো সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। যেমন ১৯৮৪ সালে ডারফুরে বা ২০১১ সালের পূর্বে দক্ষিণ সুদানে। কিন্তু এবার খার্তুম, জেজিরা, সেন্নার, ডারফুর ও কর্দোফান সহ প্রধান শহর ও কৃষি কেন্দ্রগুলিও আক্রান্ত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেছেন, “এইবারের সংকটের কারণ হলো অবকাঠামো ধ্বংস, বৃহৎ কৃষি প্রকল্পের ব্যাহততা, বাজার, রুটি খানা ও ফসল লক্ষ্যবস্তু করা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাহততা। এসব কারণে দেশের অনেক অঞ্চল সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।”

"এইবারের সংকটের কারণ হলো অবকাঠামো ধ্বংস, বৃহৎ কৃষি প্রকল্পের ব্যাহততা, বাজার, রুটি খানা ও ফসল লক্ষ্যবস্তু করা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাহততা। এসব কারণে দেশের অনেক অঞ্চল সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুদান (খার্তুম, জেজিরা, সেন্নার, ডারফুর, কর্দোফান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ আল-তিজানি (ইতিহাসবিদ ও মানবতাবাদী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ+ (১৮৮৮-৮৯ সালের ফামিনে মৃত্যু), ৮১ মিলিয়ন (বর্তমান জনসংখ্যার অনুমান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖