📌 সুডানের সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহানকে ইউনি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণের জন্য ভিসা বন্ধের প্রতিবাদে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে 'রাজনৈতিক চাপ' হিসেবে সমালোচনা করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে
সুডানের সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের ইউনি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ধের প্রতিবাদে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপকে 'রাজনৈতিক চাপ' হিসেবে সমালোচনা করে সুডানের বিভিন্ন সক্রিয়কর্মী ও জার্নালিস্টরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, ইউনি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণের অধিকারকে সুডানের তিন বছরের গৃহযুদ্ধে শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুডানের সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের ইউনি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণের জন্য ভিসা বন্ধ করা হয়েছে। মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপের শর্ত ছিল ৯০ দিনের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করা।
- 📌 সুডানের ইউনি দূত আল-হারিথ আল-হারিথ ইউনি সচিবালয়কে লিখে মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মার্কিন সরকারকে আল-বুরহানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছেন।
- 📌 ইউনি সচিবালয়ের মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিক বলেছেন, ইউনি প্রধান অ্যান্টোনিও গুতেরেস মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতি 'গভীর উদ্বেগ' প্রকাশ করেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইউনি প্রধানকক্ষ চুক্তি অনুযায়ী ভিসা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন।
- 📌 সুডানের সক্রিয়কর্মী মামুন আল-শেখ ফেসবুকে পোস্ট করে বলেছেন, 'ভিসা বন্ধ করলেও সুডানের আওয়াজ দমিত হবে না'। অন্য একজন সক্রিয়কর্মী সায়েদ আল-মাজাজ বলেছেন, ভিসা শর্তের পিছনে 'রাজনৈতিক চাপ' লুকিয়ে আছে।
- 📌 সুডানের জার্নালিস্ট ডিয়া আল-দিন বিলাল এক ভিডিওতে বলেছেন, আল-বুরহানকে নিউ ইয়র্কে বাধা দেওয়া তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করবে এবং তার পক্ষে সমর্থন জোগাড় করবে।
- 📌 মার্কিন সরকারের মুখপাত্র টমি পিগট বলেছেন, সুডানের সেনাবাহিনী বা র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ) বা তাদের নেতারা সুডানের 'বৈধ ও সংবিধিবদ্ধ সরকার' প্রতিনিধিত্ব করেন না।
- 📌 সুডানের বিদেশ মন্ত্রণালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুডানের সরকারের সাথে ইতিবাচকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছেন, কোনো শান্তি উদ্যোগের ক্ষেত্রে সুডানের সরকারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
📰 বিস্তারিত
সুডানের সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহানকে ইউনি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ধের প্রতিবাদে সুডানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পিছনে শান্তি প্রক্রিয়ায় চাপ দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগ উঠেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-বুরহানের ভিসা বন্ধের শর্ত ছিল তিনি মার্কাস বুলসের প্রস্তাবিত ৯০ দিনের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করবেন। রইটার্সের সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ইউনি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এক সূত্র বলেছেন, ভিসা শর্ত ছিল 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনি চুক্তির লঙ্ঘন'। অন্য সূত্র বলেছেন, ভিসা শর্ত ছিল 'শর্তসাপেক্ষ'।
সুডানের ইউনি দূত আল-হারিথ আল-হারিথ ইউনি সচিবালয়কে লিখে মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মার্কিন সরকারকে আল-বুরহানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছেন। ইউনি সচিবালয়ের মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিক বলেছেন, ইউনি প্রধান অ্যান্টোনিও গুতেরেস মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপের প্রতি 'গভীর উদ্বেগ' প্রকাশ করেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইউনি প্রধানকক্ষ চুক্তি অনুযায়ী ভিসা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন।
সুডানের সক্রিয়কর্মী মামুন আল-শেখ ফেসবুকে পোস্ট করে বলেছেন, 'ভিসা বন্ধ করলেও সুডানের আওয়াজ দমিত হবে না'। অন্য একজন সক্রিয়কর্মী সায়েদ আল-মাজাজ বলেছেন, ভিসা শর্তের পিছনে 'রাজনৈতিক চাপ' লুকিয়ে আছে। সুডানের জার্নালিস্ট ডিয়া আল-দিন বিলাল এক ভিডিওতে বলেছেন, আল-বুরহানকে নিউ ইয়র্কে বাধা দেওয়া তার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করবে এবং তার পক্ষে সমর্থন জোগাড় করবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুখপাত্র টমি পিগট বলেছেন, সুডানের সেনাবাহিনী বা র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ) বা তাদের নেতারা সুডানের 'বৈধ ও সংবিধিবদ্ধ সরকার' প্রতিনিধিত্ব করেন না। তিনি আরও বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 'যুদ্ধের খরচ বাড়ানোর' চেষ্টা করবে। সুডানের বিদেশ মন্ত্রণালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সুডানের সরকারের সাথে ইতিবাচকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছেন, কোনো শান্তি উদ্যোগের ক্ষেত্রে সুডানের সরকারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
"এটি রাজনৈতিক চাপের একটি সরাসরি উদাহরণ। ইউনি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণের অধিকারকে সুডানের গৃহযুদ্ধে শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; খার্তুম, সুডান; ইউনি প্রধানকক্ষ, জেনেভা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান, স্টেফান ডুজারিক, টমি পিগট, আল-হারিথ আল-হারিথ, মামুন আল-শেখ, সায়েদ আল-মাজাজ, ডিয়া আল-দিন বিলাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০,০০০ (সুডানের গৃহযুদ্ধে নিহত ব্যক্তি); ৯০ দিন (শান্তি প্রস্তাবের মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!