📌 সুদানের সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে সংঘাতে ড্রোন হামলায় গত রোববার ও সোমবার মোট ৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলায় বেসামরিক মানুষসহ শিশুও নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সংঘাতের তীব্রতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
আফ্রিকার সুদানে ড্রোন হামলায় গত রোববার ও সোমবার মোট ৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বেসামরিক মানুষ, বিশেষত শিশুদের উপর এই হামলার প্রভাব পড়ছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এই হামলাগুলোকে ‘প্রাণঘাতী’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং জরুরি পরিষেবাগুলোর ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত রোববার সুদানের ওয়েস্ট করদোফান রাজ্যের দুটি এলাকায় ড্রোন হামলায় ১৫০ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে অনেকেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন
- 📌 গত সোমবার সুদান ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্ত এলাকা আবেইতে ড্রোন হামলায় ১৫৩ জন নিহত হন, যার মধ্যে বাজারে হামলা চালানো হয়েছিল
- 📌 সুদানের সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে সংঘাতের কারণে এই হামলাগুলো ঘটেছে
- 📌 দক্ষিণ সুদান সুদানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ড্রোন হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে
- 📌 জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, ‘এসব হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে’
📰 বিস্তারিত
সুদানের সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘সুদান ওয়ার অবজারভেটরি’ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সন্ধ্যায় ওয়েস্ট করদোফান রাজ্যের দুটি এলাকায় ড্রোন হামলায় ১৫০ জন নিহত হন। এই এলাকায় অনেকেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। অন্যদিকে, গত সোমবার সুদান ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্ত এলাকা আবেইতে ড্রোন হামলায় ১৫৩ জন নিহত হন। এই হামলাটি একটি বাজারে চালানো হয়েছিল, যেখানে সুদানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে যে, বাজারটি আরএসএফের জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত।
সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আবেই অঞ্চলের মালিকানার বিরোধ রয়েছে। ২০১১ সালে দক্ষিণ সুদান স্বাধীনতা অর্জন করলেও এই অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব অব্যাহত রয়েছে। এই সংঘাতের কারণে দুটি দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে এবং সংঘাত সীমান্ত পেরিয়ে বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুদানের ওপর আংশিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, কিছু দেশ সুদানের সেনাবাহিনী ও আরএসএফ উভয় পক্ষকে ড্রোন সরবরাহ করছে। এই সংঘাতে ড্রোন ক্রমেই পছন্দের অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। আফ্রিকার অন্যতম দরিদ্র দেশ দুটির সংঘাতে ইতিমধ্যে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছে এবং এক কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
"দেশটিতে একের পর এক প্রাণঘাতী ড্রোন হামলায় আমরা উগ্বিগ্ন। এসব হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে। জরুরি পরিষেবাগুলো ব্যাহত হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুদান (ওয়েস্ট করদোফান রাজ্য ও আবেই এলাকা), দক্ষিণ সুদান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্টিফেন ডুজারিক (জাতিসংঘের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০+ নিহত, ১৫০ জন (রোববার), ১৫৩ জন (সোমবার), ১ কোটি ৪০ লাখ+ বাস্তুচ্যুত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!