📌 সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের নাম বাংলাদেশের কাছে পাঠানো তালিকায় শাস্তির বিবরণ ঊহ্য ছিল। ঢাকার কূটনীতিকরা সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন, কিন্তু কোনো সদুত্তর পাননি
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির নাম বাংলাদেশের কাছে পাঠানো তালিকায় থাকলেও তাদের শাস্তির বিবরণ ঊহ্য রাখা হয়েছে। এই অসঙ্গতি নিয়ে ঢাকার কূটনীতিকরা সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, কিন্তু কোনো সদুত্তর পাননি। সোমবার জেদ্দায় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফরিদ বিন সাদ আল সেহেরির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন এই প্রশ্ন তুলেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের নাম বাংলাদেশের কাছে পাঠানো তালিকায় থাকলেও শাস্তির বিবরণ ঊহ্য ছিল
- 📌 ঢাকার কনসাল জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন সৌদি কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু কোনো সদুত্তর পাননি
- 📌 সৌদি আদালত ১৩ জন বিচারকের প্যানেলের রায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, কিন্তু বাংলাদেশকে জানানো হয়নি
- 📌 বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জানতে চেয়েছেন, তালিকায় শাস্তির বিবরণ ঊহ্য রাখার কারণ কী
- 📌 দুজনের বাড়ি যথাক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও টাঙ্গাইল জেলায়; ২০২২ সালে সৌদি আরবে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ শুরু
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের নাম বাংলাদেশের কাছে পাঠানো তালিকায় থাকলেও তাদের শাস্তির বিবরণ ঊহ্য রাখা হয়েছে। এই অসঙ্গতি নিয়ে ঢাকার কূটনীতিকরা সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন। সোমবার জেদ্দায় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফরিদ বিন সাদ আল সেহেরির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন এই প্রশ্ন তুলেছিলেন।
সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সৌদি কর্মকর্তা প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেছেন, "যদি তালিকায় জানা যেত যে তাদের দুজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাহলে তাদের সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যেত।" সৌদি কর্মকর্তা বলেছেন, ২০২৩ সালের আগস্টে গ্রেপ্তারের পর যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রথমে নিম্ন আদালত দুজনের দণ্ড দিয়েছিল। পরে আপিল আদালতে ১৩ জন বিচারককে নিয়ে গঠিত প্যানেল তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেটে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দণ্ডিত ব্যক্তিদের একটি তালিকা পাঠায়। তাতে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের নাম ছিল। দুজনের বাড়ি যথাক্রমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও টাঙ্গাইল জেলায়। ২০২২ সালের শেষ দিকে সৌদি আরবে যাওয়ার পর আল মাজাল কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা।
গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এরপর ১৫ অক্টোবর জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি কূটনৈতিক পত্র দিয়েছিল। এরপর গত ১৮ অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছে এই কূটনৈতিক পত্র পুনরায় দেওয়া হয়।
"যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যদি বিচার সম্পন্ন হয় তবে বাংলাদেশকে দেওয়া তালিকায় কেন নজরুল ইসলাম আর সুইটি আক্তারকে কি দণ্ড দেওয়া হয়েছে সেটি ঊহ্য রাখা হলো"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জেদ্দা, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাখাওয়াত হোসেন, ফরিদ বিন সাদ আল সেহেরি, নজরুল ইসলাম, সুইটি আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ জন বিচারক, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৪ অক্টোবর, ১৫ অক্টোবর, ১৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!