📌 দক্ষিণ কোরিয়া উক্রাইনের সাথে পিওডব্লিউ বিষয়ে গোপন চুক্তি লঙ্ঘনের পর আপাতত তার কিয়েভে দূতকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে ম্যাং আগে থেকেই উক্রাইনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন
দক্ষিণ কোরিয়া আপাতত উক্রাইনে তার দূতকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উক্রাইনের সাথে পিওডব্লিউ (POWs) বিষয়ে গোপন চুক্তি লঙ্ঘনের পর। দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকার এই পদক্ষেপ নেয়ার পিছনে উভয় দেশের মধ্যে বাকি থাকা সমস্ত বিষয় সমাধানের আশা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া আপাতত উক্রাইনে তার দূতকে প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে ম্যাং আগে থেকেই উক্রাইনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন, যদি তারা উত্তর কোরিয়ার দুই পিওডব্লিউ-এর বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া না দেন।
- 📌 উক্রাইনের রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি জাতিসংঘের সাধারণ সভায় উত্তর কোরিয়ার দুই পিওডব্লিউ-এর দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর বিষয়ে কথা বলেছিলেন।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার পিওডব্লিউদের দক্ষিণ কোরিয়ায় গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ তারা উত্তর কোরিয়ায় ফিরে যেতে পারলে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকবেন।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের গ্রহণের নীতি অনুসরণ করে, তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “গভর্নমেন্ট কিয়েভে তার দূতকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার আশা করে উভয় দেশের মধ্যে বাকি থাকা সমস্ত বিষয় সমাধানের মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি হবে এবং উক্রাইনের সাথে আরও আলোচনা চালিয়ে যাবে।”
দক্ষিণ কোরিয়া ও উক্রাইনের মধ্যে এই বিষয়ে বিবাদ শুরু হয়েছিল যখন উক্রাইনের রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি জাতিসংঘের সাধারণ সভায় উত্তর কোরিয়ার দুই পিওডব্লিউ-এর দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর বিষয়ে কথা বলেছিলেন। দক্ষিণ কোরিয়া আগে থেকেই এই হস্তান্তর সম্পর্কে গোপন চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল, কিন্তু উক্রাইনের দাবি ছিল তারা কোনো চুক্তিতে সম্মত হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার পিওডব্লিউদের গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ তারা উত্তর কোরিয়ায় ফিরে যেতে পারলে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকবেন। দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের গ্রহণের একটি নীতি অনুসরণ করে, তাদের অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের দাবি, তারা এই পিওডব্লিউদের নিরাপদে রাখার জন্য গোপন চুক্তি করেছিল।
উত্তর কোরিয়া এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে আগে থেকেই দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের উত্তর কোরিয়ায় পাচার করার অভিযোগ করে আসছে। উত্তর কোরিয়া ২০১৯ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনা শুরু করেনি এবং তাদের নিরাপত্তা বিষয়ে জোর দিয়েছে।
"গভর্নমেন্ট কিয়েভে তার দূতকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার আশা করে উভয় দেশের মধ্যে বাকি থাকা সমস্ত বিষয় সমাধানের মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি হবে এবং উক্রাইনের সাথে আরও আলোচনা চালিয়ে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া, উক্রাইনের কিয়েভ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে ম্যাং, উক্রাইনের রাষ্ট্রপতি ভোলোদিমির জেলেনস্কি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন উত্তর কোরিয়ার পিওডব্লিউ, ৪৪৫ মিলিয়ন ডলার (দক্ষিণ কোরিয়ার উক্রাইনে মানবিক সহায়তা), ১০০ মিলিয়ন ডলার (জুলাই মাসে উক্রাইনে সহায়তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!