📌 দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম হাইপারসনিক অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে। প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের উপস্থিতিতে এই পরীক্ষা হয়, যেখানে অস্ত্রের অনন্য গতিপথ ও উচ্চ গতির কার্যকারিতা যাচাই করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার হাইপারসনিক অস্ত্রের উন্নয়নে দক্ষিণ কোরিয়াও সফল পরীক্ষা করেছে
দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম হাইপারসনিক অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের উপস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ব্লু হাউস জানায়, এই পরীক্ষা দক্ষিণ কোরিয়ার কৌশলগত প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে আরো মজবুত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতে হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল (এইচজিভি) উৎক্ষেপণ করে — শব্দের অন্তত পাঁচগুণ গতিতে লক্ষ্যবস্তু আঘাত করার ক্ষমতা প্রদর্শন করে
- 📌 পরীক্ষায় অতি উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল উপকরণ, দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং কম উচ্চতায় হাইপারসনিক গতিতে অনিয়মিত পথে ওড়ার সক্ষমতা যাচাই করা হয়
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, গ্লাইড ভেহিকলটি উৎক্ষেপণের পর বিচ্ছিন্ন হয়ে নিচু উচ্চতায় নেমে আসে এবং নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানে
- 📌 উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় হাইপারসনিক অস্ত্রের পরীক্ষা বাড়িয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মতে
- 📌 কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের জ্যেষ্ঠ গবেষক হং সুং-পিয়ো বলেন, দক্ষিণ কোরিয়াও এই প্রযুক্তি উন্নয়নে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে এবং এবার সফল পরীক্ষা করেছে
- 📌 পিয়ংইয়ং দাবি করেছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউখেলানো গতিপথ কার্যকরভাবে অনুসরণ করতে পারেনি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
- 📌 ওয়াশিংটন ও সিউলের বক্তব্য, মিত্র দুই দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দিয়ে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত ও প্রতিহত করা সম্ভব
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার ব্লু হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এইচজিভি উৎক্ষেপণের পর রকেট বুস্টার বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে পাঠানো হয়। এরপর এই যান শব্দের অন্তত পাঁচগুণ গতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়। বিবৃতিতে অস্ত্রটিকে যুদ্ধক্ষেত্রের গতিপথ বদলে দিতে সক্ষম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ বলা হয়েছে। এর অনন্য গতিপথ ও প্রচণ্ড গতি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সহায়তা করে।
পরীক্ষায় অতি উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল উপকরণের কার্যকারিতা, দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং কম উচ্চতায় হাইপারসনিক গতিতে অনিয়মিত পথে ওড়ার সক্ষমতা যাচাই করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, উৎক্ষেপণের পর বিচ্ছিন্ন হয়ে গ্লাইড ভেহিকলটি নিচু উচ্চতায় নেমে আসে। এরপর ওপর-নিচে ও দুই পাশে গতিপথ পরিবর্তন করে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় হাইপারসনিক অস্ত্রের পরীক্ষা বাড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া। কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর মিলিটারি অ্যাফেয়ার্সের জ্যেষ্ঠ গবেষক হং সুং-পিয়ো বলেন, দক্ষিণ কোরিয়াও এই প্রযুক্তি উন্নয়নে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে এবং এবার সফল পরীক্ষা করেছে বলা যায়। পিয়ংইয়ং দাবি করেছে, শনিবার পরীক্ষিত তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউখেলানো গতিপথ কার্যকরভাবে অনুসরণ করতে পারেনি দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। তবে সিউল ও ওয়াশিংটনের বক্তব্য, মিত্র দুই দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত ও প্রতিহত করা সম্ভব।
"দক্ষিণ কোরিয়াও এই প্রযুক্তি উন্নয়নে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে এবং এবার সফল পরীক্ষা করেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া (ব্লু হাউস, সিউল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং, জ্যেষ্ঠ গবেষক হং সুং-পিয়ো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর (পরীক্ষার তারিখ), পাঁচগুণ (শব্দের গতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!