📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অনলাইন ঘৃণার হার ২৪০% বৃদ্ধি: গবেষণা

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অনলাইন ঘৃণার হার ২৪০% বৃদ্ধি: গবেষণা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অনলাইন ঘৃণামূলক পোস্টের সংখ্যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২৪০ শতাংশ বেড়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অনলাইন ঘৃণামূলক পোস্টের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে চলেছে। গত দুই বছরে এই ধরনের পোস্টের সংখ্যা ২৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কাতারভিত্তিক আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার পাশাপাশি দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান দৃশ্যমানতা এই বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে প্রতি মাসে ঘৃণামূলক পোস্টের সংখ্যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২৪০ শতাংশ বেড়েছে।
  • 📌 ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ঘৃণামূলক পোস্টের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৯০৪ টি, যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ৮৪৩ টিতে ২০২৬ সালের জুনে।
  • 📌 গবেষণায় দেখা গেছে, এক্স প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ‘আক্রমণ’ করছে বা জনসংখ্যার হুমকি তৈরি করছে।
  • 📌 ‘পাজিত’ নামক অবমাননাকর গালি এক্সে ৩০ শতাংশ এবং বিকল্প প্ল্যাটফর্মে ৪৫ শতাংশ ঘৃণামূলক পোস্টে ব্যবহৃত হয়েছে।
  • 📌 দক্ষিণ এশীয়দের নোংরা বা অপরিচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরা পোস্ট এক্সে ১৭১ শতাংশ বেড়েছে, যা সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা বয়ান।
  • 📌 ট্রাম্প প্রশাসনের এইচ-১বি ভিসা নীতির পরিবর্তন ও তার বক্তব্য দক্ষিণ এশীয়বিরোধী ঘৃণার বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অনলাইন ঘৃণার এই বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পদক্ষেপ ও বক্তব্য। সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট (সিএসওএইচ) একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠিয়ে এনেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে প্রতি মাসে ঘৃণামূলক পোস্টের সংখ্যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২৪০ শতাংশ বেড়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে এক্সে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৪২ হাজার ঘৃণামূলক পোস্ট শনাক্ত করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এক্সে থাকা ঘৃণামূলক পোস্টের প্রায় অর্ধেকেই দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ‘আক্রমণ’ বা ‘দখল’ করছে, চাকরি কেড়ে নিচ্ছে অথবা দেশের জনসংখ্যাগত কাঠামোর জন্য হুমকি তৈরি করছে। দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে অবমাননাকর গালি ‘পাজিত’ (pajeet) এবং এর বিভিন্ন রূপ এক্সে থাকা ঘৃণামূলক পোস্টের ৩০ শতাংশে এবং বিকল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪৫ শতাংশে দেখা গেছে। দক্ষিণ এশীয়দের নোংরা বা অপরিচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরা পোস্ট এক্সে ১৭১ শতাংশ বেড়েছে, যা সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা বয়ান।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় গোষ্ঠীকে একাকার করে ফেলা হয়েছে। ভারতীয়, পাকিস্তানি ও বাংলাদেশিদের পরস্পরের সঙ্গে গুলিয়ে এক গোষ্ঠী হিসেবে দেখানো হয়েছে। একইভাবে হিন্দু, মুসলিম, শিখ ও খ্রিস্টানদেরও একটি অভিন্ন গোষ্ঠী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিকে বড় একটি সংঘাতের ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এইচ-১বি ভিসা নীতির পরিবর্তন ও তার বক্তব্য দক্ষিণ এশীয়বিরোধী ঘৃণার বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে।

"এ ধরনের পদক্ষেপ একটি শক্তিশালী প্রতীকী ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে এগুলো ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যে দক্ষিণ এশীয়দের বিরুদ্ধে থাকা শত্রুতাকেও আরও শক্তিশালী করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, এক্স প্ল্যাটফর্ম, বিকল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, গবেষকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪০ শতাংশ, ১২ হাজার ৯০৪ টি, ৪৩ হাজার ৮৪৩ টি, ৫ লাখ ৪২ হাজার, ৩০ শতাংশ, ৪৫ শতাংশ, ১৭১ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖